শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন




সরকারি চাকুরেদের নির্বাচন করতে অবসরের পর ৩ বছর থাকছেই

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩ ৩:৫৩ pm
কারাদণ্ড মামলা SC সুপ্রিম কোর্ট রায় Supreme Court highcourt হাইকোর্ট আদালত Death Penalty মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড মৃত্যুদণ্ড right অধিকার International Crimes Tribunal ICT Bangladesh domestic war crimes tribunal আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ অপরাধ ট্রাইবুনাল আইসিটি মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড শাস্তিস্বরূপ হত্যা শাস্তি Tribunal SC সুপ্রিম কোর্ট রায় Supreme Court highcourt হাইকোর্ট আদালত Death Penalty মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড মৃত্যুদণ্ড সহকারী দায়রা জজ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা ফলাফল
file pic

অবসরের পর তিন বছর পার না হলে সরকারি চাকরিজীবীদের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকার বিধান নিয়ে রুল খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট।

এর ফলে অবসরের পর তিন বছর পার না হলে সামরিক-বেসামরিক সরকারি চাকজরিজীবীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ আগের মতই বন্ধ থাকল।

বিষয়টি নিয়ে এ বছর জানুয়ারিতে যে রুল দিয়েছিল হাই কোর্ট, তার ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ সোমবার এ রায় দিল।

রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ও অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত শুনানি করেন।

নির্বাচনে সরকারি চাকরিজীবীদের অযোগ্যতার বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২ এর ১২ (১) (চ) ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসরে গমন করেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসর গমনের পর তিন বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।

এ বিধান চ্যালেঞ্জ করে অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম কামাল চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৯ জানুয়ারি রুল দেয় হাই কোর্ট।

রুলে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ওই বিধান কেন সংবিধান পরিপন্থি নয়, তা জানতে চাওয়া হয়।

একই বিষয় নিয়ে পরে মো. আব্দুল মান্নান, আতাউর রহমান প্রধান ও রতন চন্দ্র পণ্ডিত আলাদা রিট আবেদন করে। সেসব মামলাতেও বিভিন্ন সময়ে রুল হয়।

সেসব রুলের ওপর গত ২৯ নভেম্বর শুনানি শেষ হয়। পৃথক চারটি রিট মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাই কোর্ট সেদিন বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD