গুণী নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। কাজের বাইরেও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন ফারুকী। গণঅভুথ্যানের পরও নানা ইস্যু নিয়ে মতামত ও পরামর্শ দিচ্ছেন।
কটাক্ষের সুরে এক পোস্টে তিনি বলেন, আমাকে উপদেষ্টা করা এখন সময়ের দাবি। আওয়ামী প্রোপাগান্ডু লীগ যেভাবে আমার ব্যাপারে ক্ষোভ জানাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে ফ্যাসিবাদের পতনে আমার বিশাল ভূমিকা আছে। সুতরাং, ‘ফ্যাসিবাদের পুচ্ছে আগুন’ কোটায় আমাকে উপদেষ্টা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক কর্মী না। আমি আওয়ামী লীগ-বিএনপি সবারই ভালোর প্রশংসা এবং খারাপের নিন্দা করতে পারি। ফ্যাসিবাদকালে আমাদের বেঁচে থাকা ছিল বড় কৌতুকময়। কায়দা-কানুন করে বেঁচে থাকতে হতো। সরকারের সমালোচনা করে একটা পোস্ট দিলে ৩টা দিতে হইতো প্রশংসা করে। প্রধানমন্ত্রীকে বাইরে রেখে সমালোচনা করতে হতো। তারপর ধরেন, আপনার সিনেমা আটকে যাবে যেটা আটকানোই অন্যায়। সেই সিনেমা ছাড়ানোর জন্য তদবির করবেন এবং ছাড়ানোর পর ধন্যবাদ দিবেন। নানাবিধ কৌতুকময় ছিল জীবন। সামনে আমার কাজে এসবের ছাপ দেখবেন।
ফারুকী বলেন, ওরাও জানে ওদের লুটপাট, টেন্ডার বাণিজ্য, চুরিচামারি, ব্যবসা কোনো কিছুর সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক নাই। কিন্তু আমাদের ওপর রাগ আছে। কেন আমরা ফ্যাসিস্ট পতনের আন্দোলনে নামলাম- এই ক্ষোভ বড় গভীর। কিন্তু ওদের নিজেদের জন্য ভালো হবে আত্মশুদ্ধির পথে হাঁটা।