বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন




জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যে পদক্ষেপ নিলো অস্ট্রেলিয়া

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:০৪ am
CNG stations CNG station Filing stations Filing station ফিলিং স্টেশন Petrol Octane Pump Price পেট্রোল অকটেন পাম্প Fuel energy জ্বালানি তেল Fuel Oil pump তেল ফিলিং স্টেশন
file pic

ইরানে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার ধাক্কা সামলাতে এক বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। দেশটির নাগরিকদের স্বস্তি দিতে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আগামী বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে জ্বালানি তেলের ওপর কর কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।

সোমবার (৩০ মার্চ) এক ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে তিনি এই বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানান।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী তিন মাসের জন্য জ্বালানি তেলের ওপর আবগারি শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ গ্রাহকরা প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলে প্রায় ২৬ অস্ট্রেলিয়ান সেন্ট কম দামে পাবেন। অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব পেট্রোলিয়াম জানায়, বর্তমানে সেখানে প্রতি লিটার আনলেডেড পেট্রোলের দাম প্রায় ২.৫৩ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ১.৭৩ মার্কিন ডলারে ঠেকেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের জন্যও স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। তাদের আগামী তিন মাস ‘হেভি ভেহিকেল রোড ইউজার চার্জ’ পরিশোধ করতে হবে না।

প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজ ‘ন্যাশনাল ফুয়েল সিকিউরিটি প্ল্যান’ বা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় চার ধাপের একটি রূপরেখা ঘোষণা করেছেন। এই ধাপগুলো হলো—পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি, অস্ট্রেলিয়াকে সচল রাখা, লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জরুরি পরিষেবাগুলো রক্ষা করা।

তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে এই পরিকল্পনার দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে, যেখানে সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যকর থাকলেও কিছু এলাকায় আংশিক সংকট দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে তৃতীয় স্তরে গিয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি মজুদ উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে দেশটির ন্যাশনাল ক্যাবিনেট।

ইরান-মার্কিন যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যালবানিজ বলেন, তিনি এই যুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও স্বচ্ছতা চান।

তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত প্রশমন বা ডি-এস্কেলেশন প্রয়োজন, কারণ তা বিশ্ব অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি। সিডনির ফিলিং স্টেশনগুলোতে ইতোমধ্যে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার চিহ্ন দেখা দিলেও সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD