বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন




বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৯ am
Pahela Baishakh মঙ্গল শোভাযাত্রা Mangal Shobhajatra Mangal Shovajatra mass procession Bengali New Year Bengali New Year Pôhela Boishakh happy new year 1st January Australia Sydney Opera House sydney happy অস্ট্রেলিয়া সিডনি অপেরা হাউস স্বাগত নববর্ষ নতুন বছর নতুন বছরের শুভেচ্ছা মেসেজ বার্তা স্টাটাস বাণী হ্যাপি নিউ ইয়ার আতসবাজি লাইট শো সূর্যাস্ত ১ জানুয়ারি new year happy sky lantern Kǒngmíng lantern Chinese lantern hot air balloon small fire sky lanterns festivities 天灯 天燈 ফিনিন tiāndēng কংমিং লন্ঠন চীনা লণ্ঠন আকাশ লন্ঠন উষ্ণ বায়ু বেলুন অগ্নিকুণ্ডফানুস Pohela Boishakh পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ শোভাযাত্রা
file pic

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ। স্বাগত ১৪৩৩। বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নতুন বছর বরণ করছে পুরো জাতি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে রমনা বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন।

পহেলা বৈশাখ মানেই একসময় ছিল হালখাতার মৌসুম। ডিজিটাল বাংলাদেশে সেই পরিবেশ এখন নেই বললেই চলে। তবে বৈশাখী বার্তায় আবাহন চলে নতুনের। প্রাণ-প্রকৃতিও নেচে ওঠে একই সুরে। দেশ ও দশের কল্যাণের প্রত্যাশায় সাধারণ মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস আর ভালো লাগার কমতি নেই।

সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে বৈশাখী শোভাযাত্রা, যেখানে লোকঐতিহ্য ও স্বকীয়তাকে ধারণ করে বৃহৎ পরিসরে সর্বজনীন অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শোভাযাত্রার থিম ও মোটিফে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার লোকজ সংস্কৃতি। বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজে নির্মিত বিশাল বাঘ, হাতি, ময়ূর এবং মা-শিশুর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রাকে দেবে এক অনন্য মাত্রা। এই শোভাযাত্রার মূল বার্তা—অশুভ শক্তির বিনাশ এবং কল্যাণময় আগামীর পথে যাত্রা।

এবারের শোভাযাত্রায় ‘মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া’—এই পাঁচটি মোটিফ বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার প্রতীক হিসেবে বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীর অনুষঙ্গ। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রার আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এতে অংশ নেবে ২০০ জন শিক্ষার্থী, যারা বহন করবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

দিনটি ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীর বাইরেও জেলায় জেলায় চলছে বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন।

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল এলাকায় শুরু হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার পর ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ, মৎসভবন, দোয়েল চত্বর ও টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হবে।

এর আগে ভোরে সূর্যোদয়ের পর রমনার বটমূলে ছায়ানটের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয় বর্ষবরণ আয়োজন। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় এ আয়োজন। ছায়ানটের শিক্ষার্থী শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিল্পীসহ মিলিয়ে প্রায় ২০০ শিল্পী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩–কে বরণ করে নেয়ার প্রভাতি এ অনুষ্ঠানের এবারের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য,উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে।

এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় গানে গানে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD