শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন




একদিনে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল ১২ জনের

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:০৩ am
টর্নেডো Natural disaster প্রাকৃতিক দুর্যোগ Cyclone Storm winds wind atmosphere natural environment heavy fall rain snow hail violent outbreak thunder lightning unaccompanied Disaster বজ্র ঘূর্ণিঝড় কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি তীব্র বজ্রপাত দুর্যোগ আবহাওয়ায় বিদ্যুৎচমক তুষারপাত বায়ুপ্রবাহ দাবানল বৃষ্টি Sign Sanket Signal fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew Bay of Bengal Cheradip সিগন্যাল ঘূর্ণিঝড় হুঁশিয়ারি সংকেত জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর বঙ্গোপসাগর জাহাজ পর্যটন বান্দরবান trawler bandarban tourism recreation venues resorts ship china war launch sea যুদ্ধ জাহাজ মংলা মোংলা পায়রা সমূদ্রবন্দর sign cyclone
file pic

দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে পাঁচজন, রংপুরে দুইজন, ময়মনসিংহে দুইজন, নেত্রকোণায়, হবিগঞ্জে ও করিমগঞ্জে ১ একজন করে মারা গেছেন। শনিবার দুপুরের পর থেকে এই পাঁচ জেলায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

রংপুর অফিস জানিয়েছে, রংপুরের মিঠাপুকুরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের পাগলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এলাকার লোকজন জানান, উপজেলার সখীপুর গ্রামের তালেব উদ্দিন (৬০) ও মিলন (৩৫) নামে দুই কৃষক স্থানীয় একটি পুকুরে মাছ ধরতে যায়। আকাশ খারাপ হয়ে আসলে পুকুরের পাশে একটি টিনের ছাউনিতে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে সেই ছাউনিতে থাকা ওই দুই কৃষকসহ অন্তত ১২ জন বজ্রপাতের শিকার হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এসে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসার আগেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তালেব উদ্দিন ও মিলন সহ আহতদের এ্যাম্বুলেন্স যোগে হাসপাতালে নিয়ে গেলে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তালেব উদ্দিন ও মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। আমরা সেখান থেকে উপজেলা হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ জন মৃত্যুর বিষয়টি জানান। এছাড়াও ৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যান্য আহতদের রংপুরে রেফার্ড করা হয়েছে কিন্তু আমরা কোনো তথ্য পাইনি।

মর্মান্তিক এ ঘটনায় ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাতাসে ভেসে আসছে কান্নার শব্দ। স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো এলাকা।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার অফিসার্স ইনচার্জকে ফোন দেওয়া হলে। ফোনটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

হবিগঞ্জ (নবীগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার বিবিয়ানা নদীর তীরে মমিনা হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে শনিবার দুপুরে বজ্রপাতের কবলে পরে সুনাম উদ্দিন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুনাম উদ্দিন রামপুর গ্রামের সুন্দর আলী পীর সাহেবের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুর্ব বড় ভাকৈর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের সুন্দর আলী পীর সাহেবের ছেলে সুনাম উদ্দিন শনিবার দুপুরে স্থানীয় বিবিয়ানা নদীর তীরবর্তী মমিনা হাওরে মাছ ধরতে যায়। বেলা দেড় টার দিকে বৃষ্টির সময় হঠাৎ বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলেই সুনাম উদ্দিন মৃত্যুরৈ খোলে ঢলে পরে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানর পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। থানর ওসি মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার সুনামগঞ্জে বিভিন্ন উপজেলার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন, ধর্মপাশার হবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩), তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮), দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮)। এ সময় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৩ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার সকালে চাচার সাথে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের হবিবুর রহমান টগার হাওর সংলগ্ন চকিয়াচাপুর গ্রামে বোরো ধান কাটতে যান। সেখানে দুপুরের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে হবিবুর রহমানসহ কয়েকজন আহত হয়। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় গুরুতর আহত হবিবুরকে স্থানীয়রা দ্রুত ধর্মপাশা সদর হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওয়ানা দিলে পথিমধ্যে তার মত্যু হয়। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নিহত হবিবুর রহমানের বাড়ি ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামে। তিনি উক্ত গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।

দুপুরে ১টার দিকে একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামে বজ্রপাতের শিকার হয়ে জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ (১৩), একই গ্রামের শিখা মনি (২৫) গুরুতর আহত হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রহমত উল্লাহকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জয়নাল ও শিখা মনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য রহিস মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি জানান, জেলার তাহিরপুরে বজ্রপাতে একজন মারা গেছেন ও আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮)।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার জামলাবাজ গ্রামে বজ্রপাতে কালা মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। দুই সন্তানের পিতা কালা মিয়া একটি হাঁসের খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের নূর মোহাম্মদ (২৪)। তিনি জামলাবাজ গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে প্রেরণ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নওশাদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

দিরাই উপজেলা প্রতিনিধি জানান, উপজেলায় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে। দুপুর ১টায় কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরের একটি বিলের পাশে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার লিটন মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামালগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জানান, জেলার জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে নুর জামাল (২৬) নামে একজন মারা গেছেন ও তোফাজ্জল হোসেন নামে একজন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। দুপুরে উপজেলার পাগনার হাওরের করতোলা নামক স্থানে হ্যান্ডট্রলিতে ধান তোলার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নুর জামাল উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামের আমির আলীর ছেলে। আহত তোফাজ্জল হোসেন (২২) একই গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে এবং তিনি নিহতের চাচাতো ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে হাওরে কাটা ধান ট্রলিতে তোলার সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে দুইজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক নুর জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত তোফাজ্জল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বন্দে আলী। একই সময়ে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চাঁন্দবাড়ি গ্রামের প্রাথমিক স্কুল মাঠে বজ্রপাতে দুটি গাভীর মৃত্যু হয়েছে।

ময়মনসিংহ (গৌরীপুর) প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান ক্ষেত দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে ১ কৃষক নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া ও বায়রাউড়া গ্রামের মধ্যবর্তী ভালকি বিলে এ নিহতের ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষক রহমত আলী উজ্জ্বল (৪০) পূর্ব কোনাপাড়া গ্রামের ওলিউল্লাহর পুত্র।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুড়ের পর উজ্জ্বল নিজের ধানক্ষেত দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তিনি কোনাপাড়া ও বায়রাউড়া গ্রামের মধ্যবর্তী ভালকি বিল এলাকায় পৌঁছালে আকস্মিক বজ্রপাতের কবলে পড়েন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডা. ফেরদৌস আল মামুন তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন আহাজারিতে হাসপাতাল ও গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনে জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়ায় খোলা মাঠে বা কৃষি জমিতে চলাফেরা বা কোনো কাজ না করার জন্য কৃষকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

ময়মনসিংহ (গফরগাঁও) প্রতিনিধি জানান, গফরগাঁওয়ে বজ্রপাতে একজন নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তি হলেন– গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের ধাইরগাঁও গ্রামের মৃত সেকান্দর আলী খানের ছেলে মমতাজ উদ্দিন।

গফরগাঁও থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, কৃষক মমতাজ উদ্দিন জোহরের নামাজ পড়ে মেঘ দেখে মাঠ থেকে গরু আনতে বের হন। পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোণা (আটপাড়া) উপজেলা প্রতিনিধি জানান, নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আলতু মিয়া হাতিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে গ্রামের সামনের মেষি হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান আলু মিয়া। এর কিছুক্ষণ পর আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাত ও বৃষ্টি শেষ পর স্থানীয় বাসিন্দারা হাওরে গিয়ে আলতু মিয়ার নিহর দেহ পরে থাকতে দেখে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আটপাড়া থানার জুবায়দুল আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, লাশের সুরতাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে।

আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শাহানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে নিহত পরিবারের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে, তাদেরকে প্রসাশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।

কিশোরগঞ্জ (করিমগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি জানান, করিমগঞ্জে হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে হলুদ মিয়া নামে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার বড় হাওরে এ ঘটনা ঘটে। হলুদ মিয়া উপজেলার জয়কা ইউনিয়নের কলাবাগ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমা জানান, হাওরে ধান কাটছিলেন হলুদ মিয়া। দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে আনেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD