শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন




রংপুরে কৃষিতে সাফল্য, জীবিকার অনিশ্চয়তায় মানুষ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ৬:৩৮ pm
Automatic Power Tiller Krishi Bazar Agriculture Machine seeker Farm tools tool এগ্রো যন্ত্র কৃষি বাজার কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার টিলার
file pic

নিজ এলাকায় কাজের সংকটের কারণে বছর তিনেক আগে রংপুর শহরে এসেছিলেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কৃষিশ্রমিক জাহিদুল ইসলাম (৫০)। কৃষিকাজের পাশাপাশি ইমারত নির্মাণ ও টাইলসের কাজও রপ্ত করেছেন তিনি। তবে বৈচিত্র্যপূর্ণ কাজে দক্ষ হয়েও নিয়মিত কাজ পান না।

গত ২৭ এপ্রিল সকালে জাহিদুলের সঙ্গে কথা হয় রংপুরের শাপলা চত্বরে। বাজারের ব্যাগে জামাকাপড়সহ সেখানে কাজের সন্ধানে এসেছিলেন তিনি। আক্ষেপ নিয়ে জাহিদুল বলছিলেন, ‘ভুঁই (জমি) নিড়ানি, রাজমিস্ত্রি, স্যানিটারি মিস্ত্রি, হেলপারি (রাজমিস্ত্রির জোগালি)—সব কামোতে পাই। যেটে (যেখানে) নিয়া যায়, সেটে যাই। তা–ও একদিন কাজ পাই, তো আরেক দিন পাই না।’

ঢাকা বা চট্টগ্রামের তুলনায় রংপুর অঞ্চলে ভারী শিল্প, গার্মেন্টস, কলকারখানা বা রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অঞ্চলটিতে কৃষিনির্ভর শিল্পের প্রসার ঘটেনি। ফলে জাহিদুলের মতো কৃষিশ্রমিকেরা কর্মসংস্থানের অভাবে মৌসুমি বেকারত্বে ভোগেন।

যদিও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য বলছে, রংপুর অঞ্চল দেশের খাদ্য উৎপাদনের প্রধান জোগানদাতা। এখানে ধান, আলু ও ভুট্টার বড় অংশ উৎপাদিত হয়। তবু এ অঞ্চল দারিদ্র্য, নিম্ন আয়, সীমিত শিল্পায়ন এবং অবকাঠামোগত পশ্চাৎপদতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। এখানকার দারিদ্র্যের হার জাতীয় গড় দারিদ্র্যের হারের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, রংপুর বিভাগে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন।

উর্বর ভূমি, অমিত সম্ভাবনা
দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় রংপুর বিভাগের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রংপুরের কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় কৃষি উৎপাদনের ২২ থেকে ২৫ শতাংশ আসে রংপুর বিভাগ থেকে। ধান, আলু ও ভুট্টার মতো প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে রংপুর ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে আছে। রংপুর বিভাগে নিট আবাদি জমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ। শস্যের নিবিড়তাও সর্বোচ্চ ২২২ শতাংশ। অর্থাৎ জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার হচ্ছে; বছরে দুবারের বেশি ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-এর তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ সালে দেশের মোট চালের প্রায় ১৭ শতাংশ জোগান এসেছে রংপুর বিভাগ থেকে; যা ছিল ওই বছরের মধে৵ সর্বোচ্চ। আমন ধান উৎপাদনে এখনো শীর্ষে এই বিভাগ। তবে মোট চাল উৎপাদনে সর্বশেষ ২০২৪ সালের পরিসংখ্যানে দ্বিতীয় অবস্থানে।

কৃষি পরিসংখ্যান-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট আলু উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ আসে রংপুরের ৮ জেলা থেকে। পাশাপাশি এ বিভাগে হাঁড়িভাঙা আম, দিনাজপুরের লিচু বা সমতলের চা নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে উৎপাদিত মোট ভুট্টার অর্ধেকের বেশি (২ দশমিক ৮২ মিলিয়ন টন) এই বিভাগে উৎপাদিত হয়। জেলা হিসেবে দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়। ২০২৪ সালে দেশে মোট ১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টন আলু উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে রংপুর বিভাগে উৎপাদিত হয় ৩৬ লাখ ২০ হাজার টন আলু।

কৃষি পরিসংখ্যান-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট আলু উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ আসে রংপুরের ৮ জেলা থেকে। পাশাপাশি এ বিভাগে হাঁড়িভাঙা আম, দিনাজপুরের লিচু বা সমতলের চা নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে।

এসব কারণে রংপুর অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন নিয়ে দুটি বড় সম্ভাবনা দেখছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উমর ফারুক। তাঁর মতে, এ অঞ্চলে পর্যাপ্ত পরিমাণে কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। দ্বিতীয়ত, এখানে খুব কম মূল্যে শ্রম পাওয়া যায়। উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও শ্রমবাজারকে ব্যবহার করে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুললে স্থানীয় ও জাতীয় চাহিদা পূরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব।

তবু দারিদ্র্য কেন বেশি
কৃষিতে এত অবদান থাকা সত্ত্বেও বিবিএসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান (২০২৪ সাল) অনুযায়ী, জাতীয় গড় দারিদ্র্য এখন ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। রংপুর বিভাগে এ হার ২৪ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় পাঁচজনের একজন দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও মৌসুমি কর্মসংস্থানই এই বৈপরীত্যের মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কৃষিকাজ মৌসুমি হওয়ায় বছরের একটি বড় সময় শ্রমিকদের কাজ থাকে না। ফলে আয় অনিশ্চিত থাকে, যা দারিদ্র্যকে স্থায়ী করে তোলে। জাহিদুলের মতো হাজারো শ্রমিক এই চক্রে আটকে আছেন।

এ অবস্থা উত্তরণে করণীয় বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সব সময় আলুকেন্দ্রিক, কৃষিকেন্দ্রিক শিল্পকারখানার কথা বলা হয়। আলু সংরক্ষণ ও গুণগত মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগারের কথাও আমরা বলে আসছি। কিন্তু হাঁড়িভাঙা আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য আমকেন্দ্রিক শিল্পকারখানা স্থাপন এবং কীভাবে আম সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা যায়, সেটিও ভাবা হচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প খাতকে উজ্জীবিত করার কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১৪ এপ্রিল দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের উত্তরবঙ্গে আরও বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শিল্পে পিছিয়ে পড়ার দীর্ঘ ইতিহাস
রংপুর বিভাগের অর্থনৈতিক দুর্বলতার বড় কারণ শিল্পায়নের অভাব। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়ন নিয়ে ২০০৮ সালে গবেষণা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুল ওয়াদুদ। এ গবেষণায় উত্তর-পশ্চিমের ৮ জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

আবদুল ওয়াদুদ ওই গবেষণায় তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখান, ওই সময় দেশে মোট শিল্প ইউনিট ছিল ২৬ হাজার ৪৪৬টি। রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ছিল মাত্র ১ হাজার ১৫৬। অর্থাৎ দেশের মোট শিল্প উৎপাদনের মাত্র ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানের ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ রংপুর বিভাগে।

এ অঞ্চলে পর্যাপ্ত পরিমাণে কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। দ্বিতীয়ত, এখানে খুব কম মূল্যে শ্রম পাওয়া যায়। উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও শ্রমবাজারকে ব্যবহার করে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুললে স্থানীয় ও জাতীয় চাহিদা পূরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উমর ফারুক
বর্তমানেও পরিস্থিতির বড় পরিবর্তন হয়নি। অর্থনীতি শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী, জাতীয় অর্থনৈতিক ইউনিটের মাত্র ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ রংপুর বিভাগে, যেখানে ২৭ দশমিক ০৮ শতাংশ ঢাকা বিভাগে কেন্দ্রীভূত ও চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ।

রংপুর অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা বলছেন, একসময় এ অঞ্চলে শিল্পায়নের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল চালকল ও বিড়ি তৈরির কারখানা। ১৯৯১-৯২ সালে দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৪৭৩টি চালকল ছিল। অন্যদিকে রংপুর জেলায় বিড়ি তৈরির কারখানা ছিল ৬৩টি। এক দশকের ব্যবধানে ১৯৯৯-২০০০ সালে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের সংখ্যা বাড়লেও রপ্তানিমুখী, ভারী বা উৎপাদনশীল শিল্পের অভাব ঘোচেনি।

এ বিষয়ে অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ বলেন, রংপুরে শিল্পায়নের সমস্যা আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে সমস্যার গভীরতা কিছুটা কমেছে। আর উৎপাদনশীল শিল্পকারখানা বলতে যেটা বোঝায়, তা রংপুরে হয়নি।

শিল্পায়নে সংকট ও সম্ভাবনা
বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের মতে, কয়েকটি কাঠামোগত সমস্যা রংপুরে শিল্পায়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এগুলোর একটি হলো জ্বালানিসংকট। গ্যাস-সংযোগ না থাকায় বড় শিল্প স্থাপন করা কঠিন। দ্বিতীয় সমস্যা হলো বিনিয়োগবৈষম্য। স্বল্প সুদে ঋণ বা তহবিল বণ্টনে অঞ্চলভিত্তিক অসাম্য আছে। এ ছাড়া অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় যোগাযোগ ও লজিস্টিক দুর্বলতা, নীতিগত অগ্রাধিকারের অভাবে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে।

রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পার্থ বোস বলেন, গ্যাস ছাড়া একটি বড় শিল্প টিকতে পারবে না। দ্বিতীয়ত, এডিবি বা অন্যান্য তহবিল থেকে রংপুর বিভাগের শিল্প উদ্যোক্তাদের কম সুদে ঋণ দেওয়া হয় না। এসব বাধা কাটিয়ে এ অঞ্চলের জন্য ১০ বছরের জন্য কর অবকাশসহ অন্য সুবিধা দিলে অনেক শিল্পকারখানা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রংপুরে শিল্পায়নের সবচেয়ে বড় সুযোগ কৃষিভিত্তিক। উল্লেখযোগ্য হলো আলু সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত শিল্প, ভুট্টাভিত্তিক খাদ্য ও পশুখাদ্যের শিল্প, আম ও ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং হিমাগার ও সরবরাহ চেইনের উন্নয়ন।

আশার কথা হলো, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) গত ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রংপুর ইপিজেড করার ঘোষণা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে বলেছেন, কুড়িগ্রামে ‘ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনে ভুটান সরকার কর্তৃক দ্রুত ডেভেলপার কোম্পানি নিয়োগ এবং যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা আয়োজনের উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ।

এমন আশঙ্কার প্রতিধ্বনি শোনা গেল রংপুরের শাপলা চত্বরে কাজের জন্য অপেক্ষমাণ শ্রমিক সুমন মিয়ার কণ্ঠে। রংপুরের গণেশপুর শান্তিপাড়ার এই নির্মাণশ্রমিক বলেন, দুই দিন ধরে তিনি কাজ পাচ্ছেন না। এমন চললে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে শিগগিরই ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, জেলার কাউনিয়ায় প্রায় ৪২৮ একর জমিতে একটি কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল করার প্রস্তাব ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া বিসিক দ্বিতীয় শিল্পনগরী ও বন্ধ শ্যামপুর চিনিকলকে অন্য কোনো শিল্পে রূপান্তর করা যায় কি না, তা প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টাকে জানানো হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদের মতে, রংপুরে শিল্পায়ন না হওয়ায় গ্রামগঞ্জের নিম্ন আয়ের লোকজন রাজধানী কিংবা অন্য কোনো শহরে গিয়ে পোশাক কারখানায় কাজ করছেন; আর এই হার আগের থেকে অনেক বেড়েছে।

এমন আশঙ্কার প্রতিধ্বনি শোনা গেল রংপুরের শাপলা চত্বরে কাজের জন্য অপেক্ষমাণ শ্রমিক সুমন মিয়ার কণ্ঠে। রংপুরের গণেশপুর শান্তিপাড়ার এই নির্মাণশ্রমিক বলেন, দুই দিন ধরে তিনি কাজ পাচ্ছেন না। এমন চললে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে শিগগিরই ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রথম আলো




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD