শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন




রংপুরের পাঁচ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬ ৬:৪৫ pm
প্লাবন flood Disaster Flood Safety adb Flood Flooding overflow water rain snow coastal storms storm surges dangerous floodwaters floodwater বন্যা কবলিত পানি প্রবাহ প্রবাহিত পানি জোয়ার ভাটা কৃষি জোয়ার-ভাটা দুর্যোগ বন্যা বন্যার্ত পানি
file pic

আগামী তিন দিন উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর কিছু কিছু জায়গায় পানি বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হতে পারে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি বেড়েছে যা আরও পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে। এতে নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় বন্যার আভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী (দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মোস্তফা কামাল জিহান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ পূর্বাভাস জানানো হয়। এতে বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

বন্যা সতর্কতা জারি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা) উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী তিন দিন নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। কিছু জায়গায় বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম জেলায় এসব নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে সুরমা নদীর পানি সমতল কমেছে যা আগামী তিন দিন বাড়তে পারে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনী, মুহরী, গোমতী ও সেলোনিয়া নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। এসব নদীর পানি সমতল আরও একদিন বৃদ্ধি পাবে এবং পরে দুদিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি সমতল আগামী পাঁচদিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বিপদসীমার উপরে নদ-নদীর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি।

লঘুচাপ ও নিম্নচাপের তথ্য জানিয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপ আকারে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং আশপাশের বিহার ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থান করছে।

এ ব্যাপারে মোস্তফা কামাল জিহান বলেন, রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদ-নদীর পানি আগামী তিনদিন বাড়তে পারে। কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ নদীর পানি আগামী পাঁচদিন বাড়তে পারে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু জায়গায় এসব নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একইসঙ্গে নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD