ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ দাড়িয়েছে। সকাল ১১ টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান নগরীর মহাজনপট্রির দোকান কর্মচারী ও সোবহানীঘাট এলাকার বাসিন্দা সপ্তম রায় প্রীতম (২৫)।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে আরও ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- কিশোরগঞ্জের কুলিয়াচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাজী সাইফুল ইসলাম, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের শিশু কন্যা জাইফা ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চন্ডিবের বাবুল মিয়ার মেয়ে পেহেলী ভৈরবী (১৭)।
ওসমানী হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদের মধ্যে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব রক্ষক আতিকুল ইসলাম ফেরদৌস রয়েছেন। এছাড়া আহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের বাবুল মিয়া, মাধবদীর মনসুর আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মফিজ মিয়া, নগরীর মহাজনপট্টির দোকান কর্মচারী মন্টু চন্দ্র পাল, কিশোরগঞ্জের ফারুক মিয়া, সুনামগঞ্জের নুরুন্নাহার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মফিজ মিয়া, কুমিল্লার ইমরান আহমদ।, সুনামগঞ্জের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রাজু দাস এবং সাজিদ নুর, এবং মুক্তার হোসেন, আফজল ও আফরোজা।
শুক্রবার সকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের সঙ্গে সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৭ জন মারা যান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মারা যায় শিশু জাইফা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রীতম।