ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাচ্ছেন কি না, এ বিষয়ে ভারত সরকার কিছু জানে না বলে জানিয়েছে দিল্লি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে কেউ ব্রিকসে যাবেন কি না, তা-ও জানা নেই বলে জানান তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এমন দাবি করেন।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার।
দেশে ফেরার ব্যাপারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো উদ্বেগ জানিয়েছেন কি না, সে বিষয়েও ভারত অবগত নয় বলে মন্তব্য করেন জয়সোয়াল।
দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সফর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই বিভিন্ন সময়ে ভারতে অবস্থান করা শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া নিয়ে আপত্তি তোলে ঢাকা। বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লির নজরেও আনা না হয়।
এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার। সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিও জোরালো হয়।
ব্রিকসের বর্তমান সদস্য দেশগুলো হলো- ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।