মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন




এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার, চুক্তি অক্টোবরে

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৫:৫৯ pm
এয়ারবাস এয়ার বাস এয়ারপোর্ট HSIA CAAB US-Bangla Airlines USBangla Airline US Bangla hazrat shahjalal international airport dhaka biman hazrat shahjalal international airport dhaka biman হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর ইউএস-বাংলা ইউএস বাংলা ইউএসবাংলা
file pic

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী অক্টোবরে হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।

তিনি জানান, এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে নির্ধারিত সময়ে উড়োজাহাজ পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ কারণে সরকার বিভিন্নভাবে উড়োজাহাজ সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রায় গ্রাউন্ডেড হওয়ার অবস্থায় রয়েছে। ফলে কার্যকরভাবে প্রায় ১৭টি উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বর্তমান বহরের বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ পুরোনো হয়ে যাবে। তাই বহর বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এর আগে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বাংলাদেশ। এর আগে আরও ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছিল। সব মিলিয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।

মন্ত্রী বলেন, এসব উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম বোয়িং উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসার কথা। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে। নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহর বাড়াতে লিজের মাধ্যমেও অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, বিমানের বহরে উড়োজাহাজ বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করছি। ১০টি যদি বাড়ানো যায়, তাহলে ১৭টি চলমান উড়োজাহাজের সঙ্গে আরও ১০টি যোগ হবে। তখন আমাদের অনেকগুলো স্লট কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

বিমানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আরও ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সিডনি রুট চালুর বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানে একটি ফ্লাইট চালু রয়েছে এবং সেখানে দ্বিতীয় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারবাস কেনার বিষয়ে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো চাপে কিছু করছি না। আমাদের নিডসের কারণে করছি। আমাদের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য করছি।

তিনি বলেন, কোন দেশ থেকে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন ও অ্যাভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

‘কোন এয়ারক্রাফটটা কীভাবে আমাদের জন্য সুইটেবল, সেটা চিন্তা করেই কিন্তু আমরা করছি। বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে, কোথা থেকে কিনলে লাভবান হবে, কার কাছ থেকে কতটুকু কিনলে লাভবান হবে, সেসব আমাদের চিন্তা করা উচিত’—বলেন বিমানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অ্যাভিয়েশন খাত শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বহরে উড়োজাহাজ বাড়লে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে, নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা যাবে এবং যাত্রীসেবার মানও উন্নত হবে। ফলে ভবিষ্যতে টিকিটের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা মনে করি, আমাদের অ্যাভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা দরকার। নিজস্ব এয়ারলাইনসের মাধ্যমে দেশের বেশি যাত্রী পরিবহন করা গেলে এ খাত থেকে আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশের অর্থও দেশের মধ্যেই থাকবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD