ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আসনটা নিজেদের দখলে নেওয়ার সুযোগ ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে হেরে যাওয়ায় কপাল পুড়েছে তাদের। ওয়ানডে র্যাঙ্কিং বার্ষিক হালনাগাদের পরও দেখা গেলো অস্ট্রেলিয়া শীর্ষস্থান দখলে রেখেছে।
বার্ষিক র্যাঙ্কিংয়ের আগে অস্ট্রেলিয়াই শীর্ষে ছিল। তখন রেটিং ছিল ১১৩। ভগ্নাংশে পিছিয়ে তার পর অবস্থান ছিল ভারতের। পাকিস্তান ১১২ রেটিং নিয়ে তিনে অবস্থান করছিল। অবশ্য কিউইদের বিপক্ষে চতুর্থ ওয়ানডে জিতে ৪৮ ঘণ্টার জন্য র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিল তারা। শেষ ম্যাচ হারাতেই পতন হয়েছে তাদের।
তবে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ ৪-১ এ জেতায় বার্ষিক র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে পাকিস্তানের। ভারতকে পেছনে ফেলে দুইয়ে উঠেছে তারা। ভারতীয় দল নেমে গেছে তিন নম্বরে। পতন হয়েছে ইংল্যান্ডেরও। ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে চারে জায়গা করে নিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। তাদের রেটিং ১০৪। ইংল্যান্ডের ১০ পয়েন্ট কমে যাওয়াতেই ৫ নম্বরে পতন হয়েছে তাদের।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যথারীতি ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থান ধরে রেখেছে। তবে বড় লাফ দিয়েছে আফগানিস্তান। ৮ ধাপ এগিয়ে তারা শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও পেছনে ফেলেছে। আফগানিস্তান এখন ৮ নম্বরে। তারপর যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আফগানরা রেটিং পয়েন্ট বাড়িয়ে নেওয়াতেই এই উন্নতি দেখতে পেয়েছে। ৭১ পয়েন্ট থেকে বেড়ে সেটি ৮১ হয়েছে। শ্রীলঙ্কার ৮৬ থেকে রেটিং কমে দাঁড়িয়েছে ৮০। ৭২ রেটিং ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
অস্ট্রেলিয়া শীর্ষে উঠলেও এই অবস্থান ধরে রাখতে কঠিন চ্যালেঞ্জ তাদের সামনে। র্যাঙ্কিংয়ে দুই ও তিন নম্বরে থাকা পাকিস্তান, ভারতের রেটিং ব্যবধান খুব বেশি নয়। ১১৩ থেকে বেড়ে অস্ট্রেলিয়ার রেটিং দাঁড়িয়েছে ১১৮। পাকিস্তানের ১১৬, ভারতের ১১৫।
বার্ষিক হালনাগাদে ২০২০ সালের মে মাস থেকে হওয়া সিরিজগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। যেখানে ২০২২ সালের মে মাসের আগ পর্যন্ত সিরিজগুলোর ৫০ শতাংশ এবং তার পরবর্তী সিরিজগুলোর শতভাগ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।