নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ গোলে সমতা! এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে! সেখানেও স্কোরলাইন সমতা থাকায় টাইব্রেকারে নির্ধারিত হয় ফলাফল। সেখানেও প্রথম পাঁচ শট শেষে সমতায় ১-১ সমতা। শুরুর পাঁচ শটের মধ্যে গোল করেন ছেত্রি, সন্দেশ জিঙ্গান, চাংতে, শুভাশীষ বোস। চতুর্থ শটে মিস করেন উদান্ত সিং। ষষ্ট শটে মহেস সিং এগিয়ে নেওয়ার পর কুয়েতের ষষ্ট শটে খালিদ এল ইব্রাহিমের শট ঠেকিয়ে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন গোলরক্ষক গুরক্রীত।
অন্যদিকে কাতারের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর প্রথম শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর টানা চার শটে গোল করেন ফাওয়াজ আল ওতাবি, আহমেদ আলদেফেরি, আব্দুল আজিজ মাহরান ও আল খালিদি।
বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে আজ টাইব্রেকারে কুয়েতকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। সাফে এটা ভারতের রেকর্ড নবম শিরোপা। নির্ধারিত সময়ের খেলায় কুয়েতকে এগিয়ে নিয়েছিলেন শাবাইব আল খালিদি। লাল্লিয়ানজুয়ালা চাংতের গোলে প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরে ভারত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ।
ম্যাচের চতুর্দশ মিনিটেই এগিয়ে যায় কুয়েত। প্রতিআক্রমণে উঠে সতীর্থের আড়াআড়ি ক্রসে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন শাবাইব আল খালিদি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতার ফেরে ভারত। সাহালের আড়াআড়ি পাসে দূরের পোস্টে থাকা চাংতে লক্ষ্যভেদ করেন। বিরতি থেকে ফিরেও লড়াই চলে সমান তালে। কিন্তু কাঙিক্ষত গোল পায়নি কোনো দল তাদের। নির্ধারিত সময়ে আর গোল না হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় খেলা।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে একাধিক আক্রমণ চালায় কুয়েত। কিন্তু ভারতের রক্ষণে চিড় ধরাতে পারেননি কুয়েতের ফুটবলাররা। ভারতও পারেনি ঠিকঠাক আক্রমণ শানাতে। শেষ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় ম্যাচে টাইব্রেকারের মুখোমুখি হয় ভারত। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সুনীল ছেত্রীর দল।