মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন




অবরুদ্ধ গাজায় আকাশ, স্থল ও সাগর পথে হামলার প্রস্তুতি ইসরাইলের

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩ ৯:১৪ am
গাজা হামলা Flag Israel ইসরায়েল জেরুজালেম israyel israil netaniyahu নেতানিয়াহু ইসরাইল Map of Palestine Jerusalem israel palestine gaja gaza Flag hamas ফিলিস্তিন পতাকা হামাস গাজা গাযা Al-Aqsa masjid আল আকসা মসজিদ মুকাদ্দাসAl-Aqsa masjid আল-আকসায় ক্ষেপণাস্ত্র গাজা
file pic

অবরুদ্ধ গাজায় হামলা সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে দখলদার ইসরাইলি সেনাবাহিনী। আকাশ, সাগর ও স্থল পথে হামলার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) শনিবার জানিয়েছে, প্রস্তুতির মাত্রা বাড়াতে এবং বড় ধরনের স্থল অভিযানের প্রস্তুতির জন্য ইসরাইলজুড়ে বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরাইলের চলমান যুদ্ধ অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। শনিবারেও উভয়পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত ছিল।

নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থে গাজায় জেনেভা কনভেনশনও মানছে না ইসরাইল। অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটির হামাস সেনাদের নিধনের নামে নিরীহ-নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

প্রাণ বাঁচাতে কোথাও নিরাপত্তা পাচ্ছে না গাজার সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেই নতুন করে স্থল, সাগর ও আকাশপথে অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান বন্ধ করতে ইসরাইলকে আহ্বান জানিয়েছে ইরান, সৌদি আরব এবং জাতিসংঘ।

গাজার পরিস্থিতি ‘সম্মিলিত শাস্তি’র সমান বলে বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন কর্মকর্তারা সম্প্রতি বারবার সতর্ক করেছেন। কিন্তু কারও আবেদনই আমলে নিচ্ছে না ইসরাইল।

জেনেভা কনভেনশন ধারা-৪ এর ৩৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোনো সুরক্ষিত ব্যক্তিকে এমন অপরাধের শাস্তি দেওয়া যাবে না যা সে ব্যক্তিগতভাবে করেনি। সমষ্টিগত জরিমানা ও একইভাবে ভয় দেখানো অথবা সন্ত্রাসবাদের সব ব্যবস্থা নিষিদ্ধ। লুট করা নিষিদ্ধ। সুরক্ষিত ব্যক্তি ও তাদের সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া নিষিদ্ধ।’

কোনো সশস্ত্র সংঘাতে এর বিভিন্ন পক্ষ একটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। আর এর মূল উদ্দেশ্য বেসামরিক নাগরিক অথবা যারা যুদ্ধ করতে পারে না তাদের ওপর প্রভাব সীমিত করা। আর এ উদ্দেশ্যে যেসব নিয়ম তৈরি করা হয়েছে সেগুলোকে যুদ্ধের আইন ও সশস্ত্র সংঘাতের আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের একটি প্রধান অংশ হলো জেনেভা কনভেনশন। কনভেশনের নিয়মগুলোতে মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষার্থে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে যুদ্ধ করার কিছু নীতি অন্তর্ভুক্ত আছে।

১৯৪৯ সালে বিশ্বের সব দেশে চারটি কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে আরও দুটি ও ২০০৫ সালে আরেকটি প্রটোকল এর সঙ্গে যুক্ত হয়। যদিও পৃথিবীর অনেক দেশই জেনেভা কনভেনশনের নিয়ম মেনে চলে না। যার কারণে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু ঘটে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD