মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন




রমজান/রমাদান মাস: গুরুত্ব, মর্যাদা ও ফজিলত

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫ ৮:২৬ pm
ইবাদত আশুরা Moon National Moon sighting committee meets জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা রোজা রমজান রোজা sobe borat Shab e Barat namaz রজনী নিসফে শাবান‎ লাইলাতুল বরাত শা'বান মাস ইবাদত বন্দেগি শবে বরাত প্রার্থনা মুসলিম উম্মা মহিমান্বিত রাত শবে বরাত নফল ইবাদত কোরআন তেলাওয়াত জিকির-আসকার জিকির আসকার মোনাজাত ফজিলত ধর্মপ্রাণ মুসলমান Sehri Iftar শবে মেরাজ islam eid e miladunnanabi Eid Milad un Nabi Rabi al awwal রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী Rabi al-Awwal eid মুহাম্মদ সা রবিউল আউয়াল ঈদeid e miladunnanabi Eid Milad un Nabi Rabi al awwal রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী ইসলাম ইদ ঈদ চাঁদ চাদ আশুরা
file pic

ইসলামে মাস হিসেবে রমাদানের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদা। এই মাসেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিলো। এই মাসের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

“রমাদান মাস, যাতে কোরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে”।
(সুরা বাকারা: ১৮৫)

রমাদানে রোজা ও ইবাদতে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। আল্লাহ ‍গুনাহ মাফ করে দেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় রমাদান মাসে সিয়াম পালন করবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় রমাদানের রাত নামাজে দাঁড়িয়ে কাটাবে, তার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় লায়লাতুল কদর ইবাদাতে কাটাবে তারও আগের সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে”।
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রমাদান মাসে যে কোনো ইবাদতের সওয়াবই বহুগুণ বেড়ে যায়। রমাদানের প্রত্যেকটি নফল ইবাদতের সওয়াব ফরজ ইবাদতের সমান। প্রতিটি ফরজ ইবাদতের সওয়াব হয় সত্তরটি ফরজ ইবাদতের সমান। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘পবিত্র রমাদানের একটি রাত বরকত ও ফজিলতের দিক থেকে হাজার মাস থেকেও উত্তম। এ মাসের রোজাকে আল্লাহ তা’আলা ফরজ করেছেন এবং এর রাতগুলোয় আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোকে নফল ইবাদত রূপে নির্দিষ্ট করেছেন। যে ব্যক্তি রমাদানের রাতে ফরজ ইবাদত ছাড়া সুন্নত বা নফল ইবাদত করবে, তাকে এর বিনিময়ে অন্যান্য সময়ের ফরজ ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ মাসে কোনো ফরজ আদায় করবে, সে অন্যান্য সময়ের ৭০টি ফরজ ইবাদতের সমান পুণ্য লাভ করবে।’ (বায়হাকি)

রমাদানের একটি রাত হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ
রমজানে এমন একটি রাত রয়েছে, যে রাত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। ওই রাতেই পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিল। কুরআনে ওই রাতের বর্ণনা এসেছে সুরা কাদরে। আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আমি এটি নাযিল করেছি ‘লাইলাতুল কদরে।’ তোমাকে কিসে জানাবে ‘লাইলাতুল কদর’ কী? ‘লাইলাতুল কদর’ হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে। শান্তিময় সেই রাত, ফজরের সূচনা পর্যন্ত”।

(সুরা কাদর: ১-৫)

লাইলাতুল কদর বা কদরের রাতে ইবাদত করলে এক হাজার মাস ইবাদতের সওয়াব পাওয়া যায়। রমাদানের কোন রাতটি ‘লাইলাতুল কদর’ তা সুনির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয়নি। রমাদানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। অর্থাৎ ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমাদানের দিবসপূর্ব রাতগুলোর কোনো একটি রাত লাইলাতুল কদর।

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে আল্লাহর রাসুলকে (সা.) তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দোয়া পড়বো? আল্লাহর রাসুল বলেন, তুমি বলবে:

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

অর্থ: “হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও”।
(সুনানে তিরমিজি: ৩৫১৩)

-ওমর ফারুক ফেরদৌস

IFM desk




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD