বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন




সঞ্চয়পত্র বিক্রি আবার কমছে

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:০৬ pm
national saving national savings certificate NSC Sanchayapatra Interest Rate জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সঞ্চয়পত্র
file pic

টানা তিন অর্থবছর কমার পর চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ বাড়ছিল। তবে অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে এসে আবার ঋণাত্মক ধারায় চলে গেছে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যত টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, তার চেয়ে বেশি অঙ্কের পরিশোধ হয়েছে। ফলে নিট বিক্রি ৫৫৫ কোটি টাকা ঋণাত্মক। মূলত ট্রেজারি বিল, বন্ডে বেশি সুবিধার কারণে বিনিয়োগকারীরা সেদিকেই ঝুঁকছেন বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী একক মাস হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে নিট বিক্রি কম হয়েছে এক হাজার ১৬৫ কোটি টাকা। আগের জানুয়ারিতেও কম বিক্রি হয় এক হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। তবে আগের মাসগুলোতে বেশি বিক্রি হওয়ায় জানুয়ারি পর্যন্ত নিট বিক্রি বেশি ছিল ৬১০ কোটি টাকা। এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে যা ছিল দুই হাজার ৪৬১ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সুদসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে বিনিয়োগকারীরা ট্রেজারি বিল, বন্ডে আগ্রহ বেশি দেখাচ্ছেন। আবার একজন বিনিয়োগকারী সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা খাটানোর সুযোগ থাকলেও বিল ও বন্ডে কোনো সীমা নেই। বিল, বন্ডের বিপরীতে অর্জিত মুনাফার ওপর কোনো কর দিতে হয় না। সঞ্চয়পত্রের অনেক বেশি মেয়াদ থাকলেও এ ক্ষেত্রে ৯১ দিন মেয়াদি বিলে বিনিয়োগ করেও ১০ শতাংশের মতো সুদ পাওয়া যায়। আবার মাঝে সরকারের ঋণ চাহিদা কমায় বিল, বন্ডে সুদহার কমছিল। এখন আবার ঋণ চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় সুদহার বেশি রয়েছে। সব মিলিয়ে সঞ্চয়পত্রে আবার ঋণাত্মক ধারায় গেছে।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে প্রতিবছরই সরকার অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। চলতি অর্থবছর সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত অর্থবছরের ১৪ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ঋণাত্মক ছিল ছয় হাজার ৬৩ কোটি টাকা। এবার ব্যাংক থেকে সরকার এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। তিন মাস বাকি থাকতেই গত মার্চ পর্যন্ত নিয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৫১ কোটি টাকা। গত অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ৯৯ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিয়েছিল ৭২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা। ব্যাংকে সরকারের ঋণ এভাবে বাড়লেও বেসরকারি খাতে তলানিতে নেমেছে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD