আজকের আইন বাতিলের মাধ্যমে পৃথক সচিবালয়ের সব কাজ বিলুপ্ত হয়ে গেলো, এটি দেশের জন্য কালো অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, ‘পৃথক সচিবালয়ের এই আইন বাতিলের বিষয়টি হাইকোর্টে রিট করা হবে।’ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে চ্যালেঞ্জ করে আমরা যে রিট পিটিশন দায়ের করেছিলাম, এই রিট পিটিশনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। এই পূর্ণাঙ্গ রায়ে তিনটি বিষয় কোর্টের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে এক ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের উপর অধস্তন বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা ন্যস্ত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আগে ছিল এটি প্রেসিডেন্টের উপর এবং সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে এই ক্ষমতা এক্সারসাইজ করা হতো। কিন্তু এই রায় অনুযায়ী এখন থেকে সুপ্রিম কোর্টের উপরই অধস্তন বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা বদলি ছুটি পদোন্নতি ন্যস্ত থাকবে। এই যে সংবিধানের বিধান ছিল এই সংবিধানের বিধানকে অটোমেটিক রেস্টোর করা হয়েছে এই জন্য ফারদার কোনো আইন পাশ করারও প্রয়োজন হবে না।’
শিশির মনির আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত সিদ্ধান্তটি হলো শৃঙ্খলাবিধি যেটি ছিল সালে যে কন্টেক্সটে একজন বিচারপতিকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে আরেকটি কন্টেক্সটে শৃঙ্খলাবিধিকে গ্রহণ করা হয়েছিল এই শৃঙ্খলাবিধি অধস্তন বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে আর তৃতীয়ত ৩০ দিনের ভিতর ৯০ দিনের ভিতরে বিচার বিভাগীয় পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আপনারা দেখবেন এই রায়টি ঘোষণা করা হয়েছিল ২রা সেপ্টেম্বরে। সচিবালয়ে অর্ডিনেন্স পাশ হয়েছে ৩০শে নভেম্বর এবং উদ্বোধন করা হয়েছে ১১ ই ডিসেম্বর।’
তিনি বলেন, ‘এই সচিবালয়ের অর্ডিনেন্সও আজকে পার্লামেন্টে রোহিত করা হয়েছে আমি মনে করি। বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে টুডে ইজ দ্য ব্ল্যাক ডে ইন্ডিপেন্ডেন্স অব জুডিশিয়ারি হ্যাজ বিন ডেস্ট্রয়েড। একটা রায় হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধন হয়েছে আংশিক কাজ শুরু হয়েছে।’ আজকে সেই আইনটাকেই তারা রহিতকরণ করেছেন একই সাথে তারা এখন আর্গুমেন্ট করছেন যে হাইকোর্টের এই রায় আপিলের পরে কার্যকর হবে আপাতত কার্যকর হবে না। আমরা মনে করি এটাও সঠিক ব্যাখ্যা নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিশির মনির।