ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে এই বিক্ষোভে শরিক হন লাখ লাখ মানুষ।
এরই অংশ হিসেবে শনিবার নিউইয়র্ক, তেল আবিব, লন্ডন, স্টকহোম, প্যারিস, টোকিও, সিডনিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আক্রমণ করে ইসরাইল। যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। জাপানজুড়ে ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিরল বিক্ষোভ হয়েছে। দেশটির প্রায় ১০০ টি এলাকায় ৫০ হাজারের অধিক মানুষ এসব বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক শহরে প্রতি সপ্তাহেই প্রতিবাদ হচ্ছে। নিউইয়র্ক শহরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা ‘ফান্ড পিপল নট বোমস’ বলে স্লোগান দেয়।
বিভিন্ন প্লাকার্ড, টি-শার্টে তারা ‘ট্রাম্প, নেতানিয়াহু যুদ্ধবাজ’ স্লোগান লিখে মিছিল করে। যদিও দেশগুলোর সরকার এসব বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করে, তবুও বিক্ষোভের পরিমাণ দিনদিন বেড়েই চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে বড় সমাবেশ হয়েছে গত সপ্তাহের সোমবার। তেল আবিবে একের পর এক যুদ্ধে পর্যদুস্ত নাগরিকরা নেতানিয়াহুর কট্টর সমালোচনা করে বিক্ষোভ করছে।
সমাবেশ থেকে শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়। খোদ ইসরাইলের অভ্যন্তরে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চাপে আছেন। তার অবৈধ যুদ্ধের কারণে ইহুদিবিদ্বেষ বাড়ছে। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্ব অর্থনৈতিক চাপে। বিশ্বের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি সংকটে ভুগছে দেশগুলো। এতে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতি চাপ বাড়ছে।