মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন




ইভিএম কেনায় ৩৮২৫ কোটি টাকার হরিলুট, তদন্তে দুদক

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ৯:৩৬ pm
CEC election commission নির্বাচন কমিশন ইসি সিইসি Kazi Habibul Awal কাজী হাবিবুল আউয়াল নির্বাচন সিইসি ইসি cec ec election প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল cec Electronic Voting Machines evm ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ইভিএম ইভিএম ভোট নির্বাচন জনপ্রতিনিধি ভোটার ভোটগ্রহণ সিইসি রিটার্নিং অফিসার
file pic

আওয়ামী সরকারের আমলে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেড় লাখ ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) কেনার প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য সামনে এসেছে। বিরোধী দলগুলোর তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে কেনা এসব ইভিএম প্রকল্পে বড় ধরনের অডিট আপত্তি উঠেছে, যার তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২২তম দিনের কার্যক্রম চলাকালে এসব তথ্য জানানো হয়।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস তার লিখিত প্রশ্নে সাবেক সরকারের এই প্রকল্পকে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের অপচয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তা জানতে চান।

জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে ১ লাখ ৫০ হাজার ইভিএম কেনার জন্য ৩৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ইভিএমগুলো অর্পিত ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কেনা হয়। প্রকল্পটি গত বছরের জুনে শেষ হলেও এর সমাপ্তি প্রতিবেদন বা পিসিআর নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। গত মে মাসে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে প্রতিবেদন পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত তার মূল্যায়ন রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সংসদে আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পে অডিট অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন গুরুতর অডিট আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। পুরো প্রকল্পের আর্থিক লেনদেন ও অনিয়মের বিষয়টি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। মূলত বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার কারণেই প্রকল্পটি নিয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বর্তমান অবস্থান পরিষ্কার করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই নির্বাচন কমিশনের অষ্টম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনেই আর বিতর্কিত ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। ফলে বর্তমানে বিপুল অর্থ ব্যয়ে কেনা এই মেশিনগুলো অকেজো অবস্থায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) বিভিন্ন গোডাউন এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বেইজমেন্টে পড়ে আছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD