শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন




বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:৪৪ pm
কারাদণ্ড মামলা SC সুপ্রিম কোর্ট রায় Supreme Court highcourt হাইকোর্ট আদালত Death Penalty মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড মৃত্যুদণ্ড right অধিকার International Crimes Tribunal ICT Bangladesh domestic war crimes tribunal আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ অপরাধ ট্রাইবুনাল আইসিটি মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড শাস্তিস্বরূপ হত্যা শাস্তি Tribunal SC সুপ্রিম কোর্ট রায় Supreme Court highcourt হাইকোর্ট আদালত Death Penalty মৃত্যুদণ্ড প্রাণদণ্ড মৃত্যুদণ্ড সহকারী দায়রা জজ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন পরীক্ষা ফলাফল
file pic

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব।

(মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন (মেজর আখতারুজ্জামান নামে পরিচিত) একজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা, কিশোরগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।)

বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার সমকালকে বলেন, মামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (বিজি-৩৩৮) বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিপুল যাত্রীর চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলি-সংকট দেখা দেয় এবং যাত্রীরা লাগেজ পেতে বিলম্বের মুখে পড়েন। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের ক্ষোভ ও উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের আহ্বানে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালককে ‘আমি কিন্তু পিটাব ধইরা’ এবং ‘ঘাড় ধরে বের করে দেব’ বলে হুমকি দেন। একই সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করেন তিনি।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত (কেপিআই) এলাকায় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনরত নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধ করেন। এতে আখতারুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

এ ছাড়া সাধারণ যাত্রীদের সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্পর্শকাতর ও সংরক্ষিত বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD