ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখেছে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইয়েল। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৩৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে শিশু রয়েছে অন্তত ৫০০, নারী ২৭৬ জন। এছাড়া
ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে চলমান সংঘাতে গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৫৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৫০০ শিশু ও ২৭৬ জন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া
গত শনিবার (৭ অক্টোবর) ইসরাইলে হামাসের হামলার পর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচার বিমান হামলা চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। ভয়াবহ বোমাবর্ষণে গাজা এখন ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়েছে। ফলে সেখানে প্রায়
অবরুদ্ধ শহর গাজার মাটির নিচে যেন আরেক জগত। ওপরে যতটা, নিচেও যেন ঠিক ততোটাই। পুরো গাজার নিচে মাকড়শার জালের মতো ছড়িয়ে আছে হামাসের এই সুড়ঙ্গ, যা ইসরাইলি বাহিনীর জন্য এক
বিদ্যুৎ, খাবার, পানি ও জ্বালানি সরবরাহে অবরোধ তুলে নিতে হামাসের হাতে বন্দী সব ইসরাইলির মুক্তির দাবি তেল আবিবের। ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে
বিশাল রণতরি আর অস্ত্রের চালান পাঠিয়েছে আগেই। বলা যায় ঢাকঢোল পিটিয়েই। এবার হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের উদ্ধারে ইসরাইলে সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র। ১০ হাজার ৭৪১ কিলোমিটার দূরের মিত্রদেশের বিপদ উদ্ধারের ‘দ্বিতীয়
গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত বোমা হামলা ও অবরোধের মুখে সেখানকার বেসামরিক লোকজনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সহায়তা খাদ্য, পানি ও জ্বালানি জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন,
সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এবং দরিদ্র অঞ্চল গাজা থেকে ইসরায়েলে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তারপর থেকেই গত কয়েকদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছেই। তবে এবারই প্রথম নয়।
যুক্তরাজ্যে ৪ বছরের স্ব-আরোপিত নির্বাসন শেষে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ২১শে অক্টোবর দুবাই থেকে একটি চার্টার্ড বিমানে পাকিস্তানে পৌঁছাবেন। জিও নিউজ অনুসারে, নওয়াজ-কে বহনকারী ফ্লাইটের নাম “উমিদ-ই-পাকিস্তান” যা প্রায়
ঐতিহাসিক এক টেলিফোন কল। এর একপাশে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। অন্যপাশে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসি। হামাসের রকেট হামলার জবাবে ইসরাইলের বোমা হামলায় গাজা যখন জ্বলছে, তখন এই