আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি জিয়াউর রহমানের উর্দি পরা পকেট থেকে বের হয়েছে। আওয়ামী লীগ কারও পকেটের সংগঠন না। মনে রাখা উচিত, আওয়ামী লীগ ভেসে আসেনি।
আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পূর্বঘোষিত ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমাদের পূর্বঘোষিত ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ নয়াপল্টনে
১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে পল্টন মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে
বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের বিদেশি বন্ধুরা একতরফা কথা বলবে, এটা কূটনৈতিক শিষ্টাচার নয়। আমরা আপনাদের বন্ধু হিসেবে থাকতে চাই। শত্রুতা করবেন না।’
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ সাল থেকে আমরা মার খাচ্ছি। আর মার খাওয়ার সময় নেই। যে হাত দিয়ে মারতে আসবে, সে হাত ভেঙে দিতে হবে।’ তিনি সারা
রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকার ভিআইপি রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে বুধবার (৭ ডিসেম্বর)। এ ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরই
রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হওয়ার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াত। বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান দলটির
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি বাড়াবাড়ি কেন করছে আমরা জানি। তারা নয়াপল্টনে অফিসে গিয়ে নাকি আশ্রয় নেবে এবং আগুন-লাঠি নিয়ে রাস্তায় নামবে।
রাজধানী নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও টিয়ার শেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এতে একজন মারা গেছেন। বুধবার বিকাল ৩টার
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে গ্রেনেড যুদ্ধের মাঠে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেড মারা হয়েছিল আমাদের ওপর। গ্রেনেড হামলায় আমাদের আইভি রহমানসহ অনেকে মারা গেছেন। আল্লাহর