আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের নামে সংঘাত করে লাভ নেই। কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে। সরকার শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। নির্বাচনে সরকারের কোনো
বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে সমালোচনাকারীদের ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এত কিছু করার পরও একটা শ্রেণি বলবে কিছুই করি নাই। ওই ‘কিছুই করি নাই শ্রেণি’ চোখ থাকতেও দেখে না। তারা
কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি এবং ১০ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্র ঘোষিত ঢাকা মহানগরীতে গণমিছিলে পুলিশের বাধা দেওয়ার নিন্দা ও
বিএনপি তাদের পক্ষে কূটনীতিক, বিবৃতিদাতাদের মাঠে নামিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বিবৃতিদাতারা হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অর্থপাচার ও তারেক জিয়ার নষ্ট রাজনীতিকে সমর্থন করছেন।
দীর্ঘদিন পর ঘোষণা দিয়েই রাজধানীতে গণমিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার জুমা নামাজের পর রাজধানীর মালিবাগ রেলগেট এলাকা থেকে গণমিছিল বের করে দলটির নেতাকর্মীরা। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী গণমিছিলে অংশ নেন। মালিবাগ
বিএনপি-জামায়াতের যেকোনও ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা রাজপথে প্রতিরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলটির নেতারা বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজপথে অবস্থান থাকবে। আক্রমণ করলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।’
বিএনপি নাকি রাষ্ট্র মেরামত করবে, এমন প্রশ্ন তুলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি এই রাষ্ট্রকে ধ্বংস করেছে, এই রাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। যারা নষ্ট রাজনীতি করে, তারা
রাজধানী ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে গণঅবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ১১ জানুয়ারি এ কর্মসূচি করবে দলটি। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গণমিছিল শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত
রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এসব সংঘর্ষের পর পুলিশ কয়েকজনকে আটকও করেছে। এছাড়া এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। শুক্রবার জুমার
বিএনপির শুক্রবারের গণমিছিল ঘিরে সতর্ক অবস্থানে থাকবে আওয়ামী লীগ। গোটা রাজধানীতে কয়েকটি স্পটে বিভক্ত করে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সেখানে অবস্থান করবেন। অবস্থান করবেন সহযোগী সংগঠনের