ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত। মাঠের খেলায় নিজেদের প্রমাণ করতে প্রস্তুত আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। আর সেই মহারণ নিয়েই চলছে নানা রকম প্রেডিকশন। কেবল মানুষ নয় প্রাণীরাও যোগ দিয়ে এই প্রেডিকশনের তালিকায়।অবশ্য এবারই
কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে রোববার রাত ৯টায় ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ফুটবল বিশ্বকাপের এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেই সংবাদ রটে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি চোটাক্রান্ত। তিনি চোটের কারণে ফাইনালে খেলতে পারবেন না।এমন
একে তো অভিষেক টেস্ট, তার ওপর আবার প্রবল চাপ। অভিজ্ঞ ব্যাটাররা যেখানে আত্মসমর্পণ করছেন, নবাগত জাকির সেখানে আঁকড়ে পড়ে থাকলেন বেশির ভাগ সময়। সব কটি পরীক্ষাতেই পাস মার্ক তুলে নিলেন
বল হাতে তেমন কার্যকারিতা দেখাতে পারছিলেন না মোহাম্মদ সিরাজ। হাতের অস্ত্র দিয়ে যখন কাজ হচ্ছিল না, তখন জাকির হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তর মনোযোগ নড়াতে মুখের অস্ত্র ব্যবহার করা শুরু
প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে খেলেছে মরক্কো। যদিও পরাশক্তি ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে তারা। এখন মরক্কোর লক্ষ্য তৃতীয় স্থান। আগামীকাল শনিবার আল রাইয়ানের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে তৃতীয় স্থান
ড্রেসিংরুম থেকে মাঠ পাড়ি দিয়ে সংবাদ সম্মেলন কক্ষের দিকে এগোচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের উত্তর-পশ্চিম পাশের গ্যালারি থেকে এক দর্শক মিরাজের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেন। মিরাজও
কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে রোববার ফ্রান্সের বিপক্ষে নিজেদের তৃতীয় শিরোপা ঘরে তোলার মিশনে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। কিন্তু মহারণের ঠিক দুই দিন আগে গুঞ্জন উঠেছে আর্জেন্টিনার প্রাণ ভোমরা লিওনেল মেসির ইনজুরির। ক্রোয়েশিয়ার
নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা পর সম্মেলন শুরু। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো দুঃখ প্রকাশ করেন এই বিলম্বের জন্য। এই সংবাদ সম্মেলনে ফিফা সভাপতি কাতার বিশ্বকাপের চেয়ে পরের বিশ্বকাপ নিয়ে বেশি কথা
এক ঘন্টা বিলম্বে সম্মেলন শুরু হলেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বেশ চমকই দিয়েছেন তার বক্তব্যে। বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো আরেকটি বিশ্বকাপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এই বিশ্বকাপও প্রতি চার বছর পর পর
৬ সেপ্টেম্বর ২০১১। দিনটি মনে আছে? এদিন আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে বাংলাদেশে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল আর্জেন্টিনা। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে মেসিকে দেখার স্মৃতি অনেকেই সারা