কোনো খারাপ কিংবা মন্দ কাজ দেখলেই অনেকে বলে থাকেন নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক বা সংক্ষেপে নাউজুবিল্লাহ। নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক; (نَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ ذَالِكْ)’ অর্থ হলো- ‘এই (মন্দ-খারাপ-অন্যায়) কাজ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয়
ভূমিকম্প নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠে। সুনামিসহ বড় বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের উৎস এই ভূমিকম্প। বর্তমান বিশ্বে ভূমিকম্পের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, ভূমিকম্প মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক
রাসুল (সা.) বলেছেন, এ উম্মত ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের মুখোমুখি হবে। একজন সাহাবী (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, কখন সেটা হবে হে আল্লাহর রাসুল? তিনি (সা.) বললেন, গায়ক গায়িকা ও
আমরা সবাই গুনাহ করি। আবার ভালো কাজও করি। কিন্তু জানি না যে, কোন ভালো কাজে কীভাবে বা কত পরিমাণ গুনাহ মাফ হয়। কুরআন-হাদীসে অনেক এমন ভালো কাজের কথা বলা আছে
আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে বান্দার একটি বিশাল অনুগ্রহ যে, তিনি বান্দার গুনাহ মোচনের বিভিন্ন ব্যবস্থা রেখেছেন। গুনাহ মোচনের ব্যবস্থা না থাকলে নিশ্চিতভাবে আমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষিপ্ত হতে হতো। নিশ্চয় মহান
যদি আমরা জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচতে চাই এবং জান্নাতের স্থায়ী নেয়ামতের আকাঙ্ক্ষী হই, তবে আমাদের সব রকম গুনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। রাসূল (সা.) বলেন, দুটি চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ
নামাজ বলতে আমরা আল্লাহর উদ্দেশে নিজেদের সমর্পণকে বুঝি। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দিনে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ বা অবশ্যকর্তব্য। এই পাঁচ ওয়াক্ত হলো ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা। এই পাঁচ
কোনো মুসলিম মারা গেলে মাগফিরাতের জন্য মরদেহ সামনে নিয়ে বিশেষ নিয়মে যে দোয়া করা হয়, তার নাম জানাজার নামাজ। ‘জানাজা’ শব্দের অর্থ মরদেহ। জানাজার নামাজ আদায় করা ফরজে কেফায়া। ফরজে
আখেরী যামানায় কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে মিথ্যুক দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। দাজ্জালের আগমণ কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সবচেয়ে বড় আলামত। মানব জাতির জন্যে দাজ্জালের চেয়ে অধিক বড় বিপদ আর নেই। বিশেষ করে সে
সহীহ হাদীছের বিবরণ থেকে অবগত হওয়া যায় যে, আখেরী যামানায় ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ কিয়ামতের সর্বপ্রথম বড় আলামত। তিনি আগমণ করে এই উম্মাতের নের্তৃত্বের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। ইসলাম ধর্মকে সংস্কার করবেন