ক্রমবর্ধমান বৈষম্য আয় কমাতে প্রত্যক্ষকর বাড়াতে হবে। এটি প্রধান উপায় হবে। এ ক্ষেত্রে সব করযোগ্য ব্যক্তিরা আয়কর স্লাব অনুযায়ী কর প্রদান করলে জিডিপির অনুপাতে বর্তমানে ১ শতাংশ ব্যক্তি আয়কর বাড়িয়ে
অনেকটা নীরবেই গত দুই থেকে দেড় মাসে সাবানজাত পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। দৈনন্দিন অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম বাড়লেও ক্রেতারা এটিকে বাদ দিতে পারছেন না বাজারের তালিকা থেকে। তাই
দেশের বাজারে সোনার দাম আরেক দফা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালোমানের প্রতি ভরিতে বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ৭৫০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার
দেশে মূল্যস্ফীতি গত মে থেকে অক্টোবরে সাড়ে ৭ থেকে সাড়ে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর পড়তে শুরু করেছে। খাবারের তালিকা থেকে মাছ-মাংস
নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন কোনো শুভবার্তা নেই, আছে দুঃসংবাদ। ভোজ্যতেল আর চিনির দাম আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১২ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৯০ টাকা।
এবার বাড়লো সরকারিভাবে খোলাবাজারে বিক্রি (ওএমএস) করা আটার দাম। খোলা আটার দাম প্রতি কেজিতে ৬ টাকা ও প্যাকেট আটার দাম কেজিতে সাড়ে ৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর থেকে
সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেজিতে চিনির দাম ১২ টাকা বাড়িয়ে ১০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) থেকেই সয়াবিন
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেন, ‘আগামী জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট আর থাকবে না। এখনও কোনো সংকট নেই, তবে দেশে আন্ডার ইনভয়েসিং (কম মূল্য দেখানো) ঠেকাতে আমরা সতর্ক অবস্থান
অবৈধ পথে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) দেশে আনাকে নিরুৎসাহিত করতে এ পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পাঁচ হাজারের বেশি এজেন্টশিপ বাতিল করা হয়েছে। এবার এসব এজেন্টের সুবিধাভোগীদের হিসাব জব্দ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ
খুচরা বাজারে চিনি ও ভোজ্যতেলের সরবরাহ নিয়ে একরকম টানাটানি চলছে কিছুদিন ধরেই। আবার পাওয়া গেলেও তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন ও সরবরাহ থাকলেও খুচরা বাজারে চিনির সংকট আছে বলে