প্রকাশ্যে ধূমপান প্রসঙ্গে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর বক্তব্যের পর একশ্রেণির মানুষ তার অপসারণ চেয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। বিষয়টি
বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব প্রযুক্তিগত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে, যেখানে উচ্চগতির, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ শুধু একটি বিলাসিতা নয়, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি
মিজানুর রহমান: ৫ই আগস্টের রক্তাক্ত অভ্যুত্থান রাজনীতিকে জটিল করে দিয়েছে। নতুন বাংলাদেশে ‘ভারত কার্ড’ ক্রমেই মুখ্য হয়ে উঠছে। আশ্চর্যজনক হলেও এটাই বাস্তবতা। ভারতবিরোধী কার্ডের নয়া নয়া দাবিদার দৃশ্যপটে। পুরনোরা বরং
লুৎফর রহমান জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে আলোচনায় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক দল গঠন। কেমন হবে এই দল, কারা থাকছেন নেতৃত্বে এমন প্রশ্ন, আলোচনা জনমনে। নতুন দল কতোটা মানুষের কাছে যেতে পারবে। কতোটা
ইতিহাসে এমন সময় আসে। মনে হয় খুব একটা কিছু ঘটছে না। তারপরও চোখ-কান খোলা রাখতে হয়। কখন কী ঘটে? ‘৫ই আগস্টের’ পর বাংলাদেশ তেমন একটা সময়ই অতিক্রম করছে। এর আগের
বর্তমান বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি কে বা কারা? এ প্রশ্নের উত্তর জানার আগে উল্লেখ করা দরকার, যেকোনো রাষ্ট্রের, আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে কোনও সরকারের একটি মূল চালিকাশক্তি থাকে। আর তা হলো ক্ষমতাসীন
এক আলোচনায় বর্তমানে আলোচিত এক ব্যারিস্টার বলেছেন, তিনি ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস মানেন না। মানেন না কারণ মোদিজি এই দিনটিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইন্ডিয়ার বিজয় দাবি করেছেন। মানেন না কারণ পাকিস্তানি
ক্ষমতার নেশায় পেয়ে বসেছিল শেখ হাসিনাকে। ক্ষমতা আরও ক্ষমতা, নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। টানা সাড়ে ১৫ বছর শাসন করেও তিনি ক্লান্ত নন। যে করেই হোক ক্ষমতায় থাকতে হবে। তাই প্রতিবার নির্বাচন এলেই
কেমন আছেন বেগম খালেদা জিয়া? তার শরীর ভালো নেই- এটা সবার জানা। গুলশানে চার কামরার এক বাড়িতে থাকেন। বলা চলে দুই কামরাই চিকিৎসক আর নার্সের জন্য বরাদ্দ। তবে মনে জোর
উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল চারদিকে। ছিল নতুন নতুন গুজব। গত ৩ মাস ধরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে যা ঘটেছে তা ৫২ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন। কেন এমনটি হলো? ভারতকে তো বাংলাদেশের মানুষ বন্ধু-জ্ঞান করে। ’৭১-এর