এক আলোচনায় বর্তমানে আলোচিত এক ব্যারিস্টার বলেছেন, তিনি ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস মানেন না। মানেন না কারণ মোদিজি এই দিনটিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইন্ডিয়ার বিজয় দাবি করেছেন। মানেন না কারণ পাকিস্তানি
ক্ষমতার নেশায় পেয়ে বসেছিল শেখ হাসিনাকে। ক্ষমতা আরও ক্ষমতা, নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। টানা সাড়ে ১৫ বছর শাসন করেও তিনি ক্লান্ত নন। যে করেই হোক ক্ষমতায় থাকতে হবে। তাই প্রতিবার নির্বাচন এলেই
কেমন আছেন বেগম খালেদা জিয়া? তার শরীর ভালো নেই- এটা সবার জানা। গুলশানে চার কামরার এক বাড়িতে থাকেন। বলা চলে দুই কামরাই চিকিৎসক আর নার্সের জন্য বরাদ্দ। তবে মনে জোর
উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছিল চারদিকে। ছিল নতুন নতুন গুজব। গত ৩ মাস ধরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে যা ঘটেছে তা ৫২ বছরের ইতিহাসে নজিরবিহীন। কেন এমনটি হলো? ভারতকে তো বাংলাদেশের মানুষ বন্ধু-জ্ঞান করে। ’৭১-এর
স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য: নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরদিন অর্থাৎ ৯ই আগস্ট বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৮ শতাংশ হিন্দু সংখ্যালঘু ঢাকার শাহবাগ চত্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায়
দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমাগত বন্ধু হারাচ্ছে ভারত। বাড়ছে তাদের শত্রুর সংখ্যা। বৈশ্বিক ক্ষেত্রে ভারতের উত্থান এবং আঞ্চলিক ক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনমন বড় রকম প্রভাব ফেলছে। বিশ্বের সুপারপাওয়ারদের মধ্যে অন্যতম ভারত। বিশ্বমঞ্চে তারা
বিশ্বের যে দিকে তাকাই শুধু অশান্তি আর অশান্তি। প্রতিদিন প্রতিনিয়ত বিশ্বের কোথাও না কোথাও ধর্মীয় বিদ্বেষের কারণে রক্তপাতের ঘটনার সংবাদ পাওয়াই যায়। আল্লাহপাক সব আদম সন্তানকে প্রভূত সম্মান ঠিকই দান
বঙ্গভবনে রাজনৈতিক দলের নেতা ও সমন্বয়কদের যাওয়া নিয়ে এখন নানামুখী বিতর্ক চলছে। নিজের চোখে দেখা ওই দিনের কিছু ঘটনা শেয়ার করেছেন কৃষিবিদ শেখ মুহাম্মদ মাসউদ। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়গুলো
সাজেদুল হক: ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবে দায়িত্ব নিয়েছে। চারদিকে তখনও বিশৃঙ্খলা। দাবির খাতা খোলা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে একজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা সরকারকে পরামর্শ দিলেন, একটি দাবিও যেন মানা না
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের সুযোগ রাখতে চায় না সংস্কার কমিশন। এই লক্ষ্যে না ভোট ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। নির্বাচন কমিশন নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাইছে বলে জানিয়েছেন কমিশন সদস্য