অবশ্য যুগে যুগে এমনটাই হয়েছে। বিরোধীদের সকল আন্দোলনই পণ্ড করার চেষ্টা হয়েছে। বৃটিশ, পাকিস্তান আমলে হয়েছে। এর আগেও হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশেও হয়েছে। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে হয়েছে। ’৯৫-’৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে
প্রাথমিকভাবে এটা মনে হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে টানা তিনটি মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা, নিজেকে সর্বশক্তিমান এবং অতি জনপ্রিয় দাবি করা একটি সরকার ‘তুচ্ছ’ একটি বিরোধী দলের ‘তুচ্ছ’ জনসভা ঠেকানোর জন্য এমন
অর্থনীতি সংশ্লিষ্টদের মতে মূল্যস্ফীতি, জনসংখ্যা বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির গড়বড়ে হিসাব হলে এটি যেমন দেশে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র জানান দেয় না, তেমনি সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার হালচালও জানা যায় না। এসব তথ্যে
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদপ্রাপ্তির ৪৮ বছর পূর্ণ হয়েছে এ বছর। এই উপলক্ষে মনে পড়ছে ১৯৭৪-এর ২৫ সেপ্টেম্বরের কথা। যেদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুবর রহমান জাতিসংঘে মাতৃভাষা বাংলায় বক্তৃতা করে আন্তর্জাতিক
বাংলার গণমানুষের নন্দিতনেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ সারা দেশের মানুষ দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও আশীর্বাদ করছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বপ্রদানকারী দল আওয়ামী লীগকে দীর্ঘ
এখন প্রশ্ন হলো দলের অবস্থান যদি বিরোধী দলের কর্মসূচির বিষয়ে নমনীয় বা সহনীয় হয় তাহলে বিরোধী দলের কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে কারা? কারা কর্মসূচিতে হামলা করছে। কারা বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের ওপর