জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে সরকারের ক্ষমতা সীমিত করে ১৯৯৪ সালে জারি করা সার্কুলারকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জীবনরক্ষাকারী সব ওষুধের মূল্য সরকারকে নির্ধারণ করার
দেশে ১ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা বিশ্বেই ডায়াবেটিস মহামারি আকার ধারণ করেছে। ডায়াবেটিস শুধু একজন ব্যক্তির বিষয় নয়, এটি কর্মক্ষেত্রের উৎপাদনশীলতার
দেশে কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত দুই যুগে ডায়াবেটিক রোগী হয়েছে প্রায় আট গুণ। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী প্রতি ১০ জনের মধ্যে সাতজনই কোনো
বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে সরকারিভাবে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের একাধিক শহরে ২৫টি সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) সেন্টার গড়ে উঠেছে, এতে সফলতাও মিলছে। তারপরও
এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যাও। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে চাপ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মাস হিসেবে চলতি বছরের অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের
ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) আরো ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এ বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত জ্বরটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে। এছাড়া
সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী জেনেটিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের গড় আয়ু খুব কম। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১ লাখ ৮৯ হাজার মানুষ এই রোগে ভুগছেন। যার মাত্র ৬০ শতাংশ
জ্বর বা ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ বা সক্রিয় কোনো রোগ (active disease) থাকলে টাইফয়েড টিকা বা অন্য কোনো টিকা দেওয়া যাবে না। কেউ যদি অসুস্থ থাকে তাহলে এ অবস্থায় তার শরীরের
দেশে প্রথমবারের মতো টাইফয়েডের টিকা দেয়া শুরু হচ্ছে রোববার (১২ অক্টোবর)। মাসব্যাপী এই টিকা প্রদান কর্মসূচি চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী
বিগত বছরগুলোর চেয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। গত তিন মাসের তুলনায় এ মাসের নয় দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর রিপোর্ট