দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম চরম আকার ধারণ করেছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে জরুরি রোগী ছাড়া ভর্তি না করার
সারা দেশে তীব্র দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সব বয়সি মানুষের। ঘরের বাইরে বের হলেই গরমে ঘেমে অস্থির হচ্ছেন অনেকে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে রোগ নির্ণয় পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, “গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে সরকার কাজ করে
তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। সারা দেশে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। দেশের কিছু কিছু এলাকায় মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ চলবে বলেই পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের। হাঁসফাঁস গরমে থেকে বাঁচতে অনেকেই একাধিকবার গোসল
নেসলের শিশুখাদ্য সেরেলাক ও নিডোতে উচ্চমাত্রার চিনির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা পাবলিক আই ও ইন্টারন্যাশনাল বেবি ফুড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের করা গবেষণায় এ তথ্য মিলেছে। শিশুদের খাবারে যাতে চিনি
দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকা শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। এর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। আর এসিতে থাকতে থাকতে আমরা এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। অফিসে ৮-৯ ঘণ্টা টানা সেন্ট্রাল এসিতে থাকতে থাকতে
সুন্নতে খতনা এখন এক আতঙ্কের নাম। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থেকে হাজাম (স্থানীয়ভাবে খতনাকারী)-কারও কাছেই যেন নিরাপদ নয় শিশু। খতনা করাতে গিয়ে কখনো লিঙ্গ কেটে ফেলা হচ্ছে, আবার
তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। এ সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম হয়ে বের হয়। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরে অস্বস্তি, ক্লান্তির মতো একাধিক উপসর্গ
দিনের তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই। চৈত্রের তাপদাহে হাঁসফাঁস জনজীবন। প্রচণ্ড গরমে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষজন। প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়িয়ে ২০ হাজার করেছে সরকার। এতদিন তাদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হতো। বর্ধিত এ ভাতা চলতি এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে কার্যকর