এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যাও। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে চাপ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মাস হিসেবে চলতি বছরের অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের
ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) আরো ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এ বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত জ্বরটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে। এছাড়া
সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী জেনেটিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের গড় আয়ু খুব কম। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১ লাখ ৮৯ হাজার মানুষ এই রোগে ভুগছেন। যার মাত্র ৬০ শতাংশ
জ্বর বা ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ বা সক্রিয় কোনো রোগ (active disease) থাকলে টাইফয়েড টিকা বা অন্য কোনো টিকা দেওয়া যাবে না। কেউ যদি অসুস্থ থাকে তাহলে এ অবস্থায় তার শরীরের
দেশে প্রথমবারের মতো টাইফয়েডের টিকা দেয়া শুরু হচ্ছে রোববার (১২ অক্টোবর)। মাসব্যাপী এই টিকা প্রদান কর্মসূচি চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী
বিগত বছরগুলোর চেয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। গত তিন মাসের তুলনায় এ মাসের নয় দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর রিপোর্ট
বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের ‘২০২৫ সালের সেরা উদ্ভাবন’ তালিকায় স্থান দিয়েছে বাংলাদেশে তৈরি এক যুগান্তকারী খাবারকে। খাবারটির নাম এমডিসিএফ-২ (মাইক্রোবিওটা-ডাইরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড)। অপুষ্ট শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই সাশ্রয়ী
তাসনিমের বয়স মাত্র সাত বছর। এ বয়সেই তার জীবন ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল। হঠাৎ শরীর শুকিয়ে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাবের মতো লক্ষণ দেখা দিলে তার বাবার সন্দেহ হয়। পরে এক আত্মীয়ের
দেশের সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থায় এখনও নেই একজন গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট। অথচ উন্নত বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবার মূল ভিত্তিই গড়ে উঠেছে ডাক্তার-নার্স-ফার্মাসিস্টের সমন্বয়ে। বাংলাদেশে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য টেকনোলজিস্ট থাকলেও সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সংক্রান্ত সেবা
ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই রোগের চিকিৎসায় ১২ দফা জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা: আবু হোসেন মো: