আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের ব্যয়ের অগ্রাধিকার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। এতে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ব্যয় কমানো
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দেশে প্রথম হাম শনাক্ত হওয়ার পর শিশুমৃত্যুর এই সংখ্যা গত ৫০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। ১৭ শিশুর মধ্যে ১৫ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন শিশু নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত ছিল, আর বাকি ৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা
গাজীপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল, রংপুরে এক হাজার শয্যার নতুন হাসপাতাল, নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর, সরকারি পিপি ও জিপি নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। ডিসিরা বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় সরকারকে আরও মনোযোগ দিতে
হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে যারা মারা গেছে তাদের প্রায় ৯০ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত জটিলতার কারণে। অন্য যারা মারা গেছে, তাদের ৩৩ শতাংশ মেনিনগোএনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের আবরণীর প্রদাহ) এবং
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হাম সন্দেহে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরো ১ হাজার ৪৪৮ শিশু। এর মধ্যে সন্দেহজনক ১ হাজার ৩৫৮
দেশের স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারাবাহিক বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে। গত ২০ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক প্রজ্ঞাপন জারি করে বিভিন্ন
দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১ জন নিশ্চিতভাবে
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
হামের রোগীর চাপ সামাল দিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালকে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকট দেখিয়ে কোনো হাসপাতাল থেকে হাম বা হাম-উপসর্গের রোগীকে অন্যত্র ফেরত পাঠানো যাবে না