দেশে ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সরকারকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব কমাতে সরকার দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর জন্য
বাংলাদেশে বর্তমানে শিশুদের সুরক্ষার জন্য দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে। অনেক অভিভাবকের মনে প্রশ্ন—যদি শিশু ইতিমধ্যে দুই ডোজ টিকা নিয়ে থাকে, তাহলে আবার কেন অতিরিক্ত ডোজ দরকার? এর
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৬ দিনে হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ১৪ হাজার ৫৬১ শিশু। তাদের মধ্যে ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষায়
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাম সন্দেহে ১০ জন এবং নিশ্চিত হামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে
প্রথমে ধাপে শুরু করা হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৩০ উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি ১২ লাখের বেশি শিশু টিকা পাবে বলে তথ্য দিয়েছে ইউনিসেফ। রোববার সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে
দেশে কিছু এলাকায় হাম-রুবেলার (এমআর) প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জরুরিভিত্তিতে আগামীকাল রোববার থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে সরকার। সকাল ৯টায় দেশের ৩০ উপজেলায় একযোগে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। শনিবার স্বাস্থ্য ও
দেশে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা
সম্প্রতি অভিভাবকেরা শিশুর জ্বর ও শরীরে র্যাশ নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, হাসপাতালে ভিড় করছেন। এই শিশুদের অনেকেরই হাম শনাক্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের অনেক জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, বেশ কিছু শিশুমৃত্যুর ঘটনাও
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী রোববার থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য
দেশে দীর্ঘ ৮ বছর হামের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে টিকা সংগ্রহে