রাজধানীর একটি হাসপাতালে বুধবার হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা। ছবি: আমার দেশ বাংলাসংবাদপত্র একসময় হাম নিয়ন্ত্রণে বৈশ্বিক সাফল্যের উদাহরণ ছিল বাংলাদেশ। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর হামে
সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর ছাড়া অন্য পাঁচ বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ‘উদ্বেগজনক’ বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে আক্রান্ত রোগীর
একসময় হাম নির্মূলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টিকাদানে ঘাটতি ও নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাঘাতের কারণে এখন দেশটি হাম রোগের ভয়াবহতম প্রাদুর্ভাবের মুখে পড়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের এক
দেশে হামের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। সরকারের হিসাব মতে, চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের বেশি (১৬৮৬) ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ২০ জন অর্থাৎ ডেঙ্গুতে
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় সভাপতির
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৯১ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে
মশা নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ব্যয় বাড়লেও কমছে না উপদ্রব। উল্টো বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তার বাড়ায় দ্রুত বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত গত ১০ মাসে
দেশের কলেরা ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে প্রথম দফার টিকা এবং ২৬
দেশজুড়ে হাম এখন চলমান এক আতঙ্কের নাম। মহামারি আকারে ছোঁয়াচে এই ভাইরাসজনিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি সরকার। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত
বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। বায়ুমান সূচকে কাম্পালার স্কোর ১৯৫। তালিকায় ২৭তম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। আজ বায়ুর মান সূচকে ঢাকার স্কোর ৬৮, যা ‘মাঝারি