বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন




ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলতে পারবে না যেসব যানবাহন

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩ ৪:০৯ pm
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে elevated Dhaka Elevated Expressway Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Expressway বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা মাওয়া ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে এক্সপ্রেসওয়ে Dhaka Elevated Expressway Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Expressway বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা মাওয়া ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে expressway এক্সপ্রেসওয়ে
file pic

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত এই এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেওয়া হবে ২ সেপ্টেম্বর। তবে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো দুই ও তিন চাকার কোনো যানবাহন এই উড়ালসড়কে চলতে পারবে না। মোটরসাইকেলও আপাতত বন্ধ থাকবে।

রোববার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এই সাড়ে ১১ কিলোমিটারের জন্য টোল ধরা হয়েছে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মিনি ট্রাক ৮০ টাকা, বাস ও মিনিবাস ১৬০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং বড় ট্রাক ৪০০ টাকা।

আরও পড়ুন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেবে সরকার

তিনি বলেন, আগামী ২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করবেন। এক্সপ্রেসওয়েটিতে যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার।

ঢাকা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ২০১১ সালের জুন মাসে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছিল। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় প্রকল্পটি ২০১৬ সালে শেষ করার কথা ছিল।

কিন্তু উড়ালসড়কের নকশা বদল, ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, অর্থের সংস্থানসহ নানা জটিলতায় নির্মাণকাজ শেষ করার সময়সীমা পাঁচবার পিছিয়েছে।

প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে উড়ালসড়কের নির্মাণকাজ শেষ করার প্রথম সময়সীমা ছিল ২০১৭ সাল। সেটি পিছিয়ে হয় ২০১৮। তার পর আবারও পিছিয়ে হয়েছে ২০২২ সাল। এই সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় চতুর্থবার সেই সময়সীমা পিছিয়ে দাঁড়ায় ২০২৩ সালের জুনে। তবে সর্বশেষ পুরো প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের জুনে শেষ করার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে শুরুতে উড়ালসড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৮ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকায়। এর পর কাজের ধীরগতির সঙ্গে বাড়তে থাকে প্রকল্পের মেয়াদ। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বশেষ ট্যাক্স, ভ্যাটসহ প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৬ হাজার কোটি ৭০ লাখ ৭ হাজার ১৫৩ টাকা।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD