সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন




ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’র তাণ্ডবে ৩০ জনের মৃত্যু

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১০:৪০ am
tornado টর্নেডো Natural disaster প্রাকৃতিক দুর্যোগ Cyclone Storm winds wind atmosphere natural environment heavy fall rain snow hail violent outbreak thunder lightning unaccompanied Disaster বজ্র ঘূর্ণিঝড় কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি তীব্র বজ্রপাত দুর্যোগ আবহাওয়ায় বিদ্যুৎচমক তুষারপাত বায়ুপ্রবাহ দাবানল বৃষ্টি Sign Sanket Signal fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew Bay of Bengal Cheradip সিগন্যাল ঘূর্ণিঝড় হুঁশিয়ারি সংকেত জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর বঙ্গোপসাগর জাহাজ পর্যটন বান্দরবান trawler bandarban tourism recreation venues resorts ship china war launch sea যুদ্ধ জাহাজ মংলা মোংলা পায়রা সমূদ্রবন্দর sign cyclone Tornado Disaster ঘূর্ণি টর্নেডো টর্নেডো Natural disaster প্রাকৃতিক দুর্যোগ Cyclone Storm winds wind atmosphere natural environment heavy fall rain snow hail violent outbreak thunder lightning unaccompanied Disaster বজ্র ঘূর্ণিঝড় কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি তীব্র বজ্রপাত দুর্যোগ আবহাওয়ায় বিদ্যুৎচমক তুষারপাত বায়ুপ্রবাহ দাবানল বৃষ্টি Sign Sanket Signal fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew Bay of Bengal Cheradip সিগন্যাল ঘূর্ণিঝড় হুঁশিয়ারি সংকেত জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর বঙ্গোপসাগর জাহাজ পর্যটন বান্দরবান trawler bandarban tourism recreation venues resorts ship china war launch sea যুদ্ধ জাহাজ মংলা মোংলা পায়রা সমূদ্রবন্দর sign cyclone weather Canada storm কানাডা Canada-storm-কানাডা
file pic

আটলান্টিক মহাসাগরে অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় ‘মেলিসা’। ঘূর্ণিঝড়টি ২৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে এসে ক্যারিবীয় অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) তথ্যমতে, এটি ক্যাটাগরি–৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ঝড়, যা প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা সৃষ্টি করে বহু এলাকা প্লাবিত করেছে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে শত শত গ্রামীণ এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, জ্যামাইকাতে ব্যাপক ধ্বংসও ঘটেছে এবং হাইতিতে কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

জ্যামাইকা সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি সহায়তা কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল খোলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, জ্যামাইকায় ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, যা আরও বড় মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়কে ক্যাটাগরি-৫ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৭৪ বছরে এত ভয়ঙ্কর ঝড় দেখেনি জামাইকা। এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় হিসাবেও বর্ণনা করা হচ্ছে একে।

জামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রু হোলনেস হারিকেনের প্রভাবকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, মেলিসার মোকাবিলা করতে পারে এমন পরিকাঠামো দেশে নেই। তাই তিনি বাসিন্দাদের সাবধান থাকার অনুরোধ করেছিলেন।

জামাইকায় মেলিসার ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়। উদ্ধারকাজও পুরোদমে শুরু করা যায়নি। বহু মানুষ ঘরছাড়়া। নিখোঁজ অনেকে। মেলিসা আঘাত হানার সময় প্রায় ২৫ হাজার পর্যটক জামাইকায় ছিলেন।

বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলে বার্বাডোজ়ের একটি ত্রাণ সরবরাহ শিবির থেকে জামাইকায় প্রায় ২ হাজার ত্রাণ সরঞ্জাম বিমানে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। রাষ্ট্রপুঞ্জের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কিউবা এবং হাইতি-সহ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এমন সব দেশেই সহায়তার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ঝড়ের প্রভাব ইতোমধ্যে প্রতিবেশী কিউবায়ও পড়তে শুরু করেছে। দেশটির উপকূলীয় অঞ্চলগুলো থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, বুধবার ভোর নাগাদ ‘মেলিসা’ কিউবার ভূমিতে আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মেলিসা অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করেছে। তাদের মতে, এটি কেবল জ্যামাইকাই নয়, গোটা ক্যারিবীয় অঞ্চলের জন্য এক ভয়ংকর মানবিক সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে।

সরাসরি আঘাত না হানলেও টানা কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিতে হাইতিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজধানী থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিরটার পশ্চিমে অবস্থিত উপকূলীয় শহর পেটিট-গোয়াভেতে একটি নদী উপচে পড়লে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কমপক্ষে ১০ শিশু রয়েছে এবং ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে।

কিউবা সরকার ৭ লক্ষাধিক মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে, বাহামা দ্বীপপুঞ্জের সরকার প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষকে সরিয়ে নেয়।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। সারা দেশে ১ হাজারের বেশি বাড়ি বন্যায় প্লাবিত হয়েছে এবং প্রায় ১২ হাজার মানুষ জরুরি আশ্রয় শিবিরে অবস্থান নিয়েছেন।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্সের।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD