বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন




নিরাপদ অভিবাসনে সরকারের দায়হীনতা

বৈদেশিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অবস্থান সংকটে

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:০৩ am
labour জনশক্তি প্রবাসী MANPOWER EXPORTS migrant workers wage worker মাইেগ্রন অভিবাসী শ্রমিক মাইেগ্রন অভিবাসী শ্রমিক রেমিট্যান্স রেমিটেন্স মজুর ডলার রির্জাভ migrant workers worker মাইেগ্রন অভিবাসী শ্রমিক
file pic

এক দশক ধরে সৌদি আরবের জেদ্দায় বসবাস করছেন রংপুরের রফিকুল ইসলাম। প্রয়োজনে দূতাবাসকে পাশে না পাওয়ার অভিযোগ এই প্রবাসীর। রফিকুল জানান, নিজ দেশের নাগরিকদের ভালো-মন্দ শোনার উদ্যোগ অন্য দেশ যেভাবে নেয়, বাংলাদেশ সেভাবে নেয় না। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে প্রতিদিন কাজের খোঁজে যান হাজারো বাংলাদেশি। কিন্তু সেই তুলনায় নেই প্রবাসী সেবার তৎপরতা।

দেশে এই মুহূর্তে চলছে ইতিহাসের সেরা রেমিট্যান্স প্রবাহ; যার সিংহভাগই আসে সৌদি আরব থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে দেশটিতে বাংলাদেশিদের যাত্রা স্রোতের মতো। কেননা, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যন্য শ্রমবাজারগুলো বন্ধ রয়েছে। এ জন্য ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ করেও দেশটিতে শ্রমিক হিসেবে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। উদ্দেশ্য একটাই, যেকোনো মূল্যে বিদেশ যাওয়া।

বিপরীতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গিয়ে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না পেয়ে অবৈধ হয়ে পড়ছেন প্রবাসীরা। এতে জেল-জরিমানা দিয়ে দেশে ফিরছেন অনেকেই। বৈদেশিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অবস্থানও সংকটে পড়ছে।

যদিও বছরের পর বছর নিরাপদ অভিবাসনের গল্প শুধু কাগজে-কলমেই। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের ভিসা নিষেধাজ্ঞা আর মানবপাচার চক্র মিলেমিশে একাকার। নতুন নতুন রুটে গড়ে উঠছে মানবপাচার চক্র। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাতকড়া পরিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে দুই শতাধিক বাংলাদেশিকে।

এক যুগ ধরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশ ফেরতদের নিয়ে কাজ করছেন ব্র্যাক ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ম্যানেজার আল-আমিন নয়ন। তিনি বলেন, সরকারি নজরদারি না থাকায় ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে এই মানবপাচার চক্র। যারা ইতোমধ্যে আফ্রিকার মতো দেশগুলোতে চলে গিয়েছে। তারা কী অবস্থায় আছে, সেটি নিয়ে কি কোনো প্রতিবেদন আছে? একশ লোক পাঠানোর পরে প্রতিবেদন নিয়ে দেখা দরকার, তারা কী অবস্থায় আছে। যদি তারা ভালো থাকে তাহলে তো ফাইন, আর যদি না থাকে তাহলে সেভাবে পলিসি নিতে হবে। আসলে সে ধরনের কোনো উদ্যোগ দেখছি না।

নিরাপদ অভিবাসনে সরকারের দায়হীনতাকেই দুষছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আফিস মুনির। তিনি বলেন, বলা হচ্ছে, আমাদের বড় গাফলতির জায়গা হচ্ছে কাগজপত্রগুলো ভুয়া হয়। তো ভুয়া কাগজপত্র নিয়ে ধরা পড়ছে কোথায়, বিদেশে। এগুলো এখানে কেন পরীক্ষা করা হচ্ছে না।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য বলছে, চলতি বছর কাজের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি। চ্যানেল 24




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD