রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন




আটক ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মুক্ত, পুলিশ হেফাজতে অভিজিৎ ও ধ্রুব রাঠীসহ চারজন

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০৮ am
india-flag India ভারত পতাকা Bangladesh–India বাংলাদেশ-ভারত Bangladesh India বাংলাদেশ ভারত
file pic

ভোট কারচুপির অভিযোগে ভারতের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) থেকে যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পুলিশি কড়াকড়িতে শনিবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল রাজধানী দিল্লি। দিন শেষে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হলেও রাত পোহানোর আগেই প্রায় সবাই মুক্তি পান। তবে এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী এবং আরও দুজন।

শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় গোটা দিল্লিতে কমপক্ষে তিন হাজার মানুষকে আটক করে পুলিশ। আটকদের তালিকায় ছিলেন চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও। তারা হলেন-আম আদমি পার্টির (আপ) অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বামফ্রন্টের পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার। মধ্যরাতের পর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় নেতাদের অনেকেই মুক্তি পেলেও ধ্রুব রাঠী ও সিজেপি নেতৃত্বের একটি অংশ আটক পুলিশের জালেই আটকে ছিলেন।

এদিকে চরম ব্যক্তিগত শোাকের মধ্যেও রেহাই মেলেনি সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের। দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাকেসহ দলের নেতা আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়। মহারাষ্ট্রে তার দাদির মৃত্যুর খবর আসার পর পুলিশ তাকে শেষকৃত্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা বললেও সন্ধ্যার মধ্যেও তার মুক্তি মিলবে কিনা তা নিশ্চিত ছিল না।
বিক্ষোভে অচল দিল্লি, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ

যন্তর মন্তরে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে। রোববারও পরিস্থিতি বদলানোর কোনো লক্ষণ নেই। সিজেপি প্রতিদিন যন্তর মন্তরে মার্চ করার ঘোষণা দিয়েছে, আর পুলিশও জানিয়েছে, তাদের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। পাশাপাশি, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট সোমবার আরও বড় প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে।

রাজধানীজুড়ে ব্যাপক পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের গেট ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং ২৫০টিরও বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়। যন্তর মন্তরের আশপাশের ৪ কিলোমিটার এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়।

অনেকেই ঘর বা হোটেলের কামরা থেকে বের হওয়ার আগেই পুলিশের হাতে আটক হন। যার মধ্যে ছিলেন গুরুগ্রাম থেকে আটক হওয়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীও। প্রতিবাদী ছাত্র সংগঠন আইসার নেত্রী নেহা বোরা দিল্লি হাটের কাছে অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের প্রিজনভ্যানে তোলে।

(যুগান্তর)




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD