নতুন করে চোট পেয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। মেডিকেল পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, অন্তত ২ থেকে ৩ সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। পায়ের পেশিতে চোটের কারণে বিশ্বকাপের আগের প্রস্তুতি ম্যাচগুলো তো বটেই, মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচেও তার অংশগ্রহণ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নেইমার ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ব্রাজিলের হয়ে খেলেননি। উরুগুয়ের কাছে ব্রাজিলের ২-০ ব্যবধানে হারের ম্যাচে তিনি হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, মেডিকেল রিপোর্টে ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারের কাফে গ্রেড-টু ইনজুরি ধরা পড়েছে। দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার জানিয়েছেন, নেইমারের সুস্থ হতে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে লাসমার বলেন, মঙ্গলবার গ্রাঞ্জা কোমারিতে রিপোর্ট করার পর নেইমারের সব ধরনের মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। এমআরআই স্ক্যানে দেখা গেছে, এটি শুধু ফোলা নয়, বরং গ্রেড-টু কাফ ইনজুরি। তাই আপাতত তাকে বিশ্রাম ও পুনর্বাসনের মধ্যেই থাকতে হবে। তবে এই চোটের কারণে নেইমারকে পুরো স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি ব্রাজিল দলের চিকিৎসক।
এর আগে বিশ্বকাপ উপলক্ষে হওয়া ব্রাজিলের প্রথম অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি নেইমার। ডান পায়ের কাফ মাসল বা মাংসপেশির ইনজুরির কারণে তাঁকে আরও ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএএফ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নেইমার বুধবারের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি। সিবিএফ-এর মেডিকেল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ইনজুরির সুনির্দিষ্ট ধরণ বোঝার জন্যই বাড়তি ডাক্তারি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঘরোয়া লিগ ‘ব্রাসিলেইরাও’-তে সবশেষ ১৭ মে মাঠে নেমেছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। সেদিন করিতিবার কাছে হেরে যায় তাঁর দল সান্তোস। সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমারের সঙ্গে একটি ক্লিনিকে গিয়েছিলেন নেইমার। সেখানে তাঁর এক দফায় এমআরআই স্ক্যান করা হয়।
চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় থাকায়, আগামী রোববার ব্রাসিলিয়ায় পানামার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে নেইমারের খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ জুন মিশরের বিপক্ষে।