প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ হয়ে থাকে সমুদ্রপথে। অবাধ বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বার্থেই সমুদ্রকে নিরাপদ রাখা আবশ্যক। সামুদ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও অনুসন্ধানের বিশাল
বাংলাদেশ থেকে এক লাখ জনশক্তি নেবে ইউরোপীয় দেশ রোমানিয়া। দেশটিতে দায়িত্বরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়ে গণমাধ্যমকে সেটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বাংলাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ
বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও নগরবাসীর জান-মাল রক্ষায় ঢাকা শহরে মোতায়েন থাকবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) পুলিশের ৩০ হাজার সদস্য। এছাড়া প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে থেকে
আগামী ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ১৫টি দেশ যৌথভাবে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে তারা বাংলাদেশের বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে এ দেশের সাফল্যকে আরও উৎসাহিত করতে আগ্রহী এবং মানবাধিকারের
‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস কংগ্রেস ২০২২’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। মঙ্গলবার
বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে থাকলেও রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে সেটি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এর মাধ্যমে দ্রুতই সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে। চলতি বছর দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলো সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খেলেও ইতিবাচকভাবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা। কারণ, আমরা সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছি। এখানে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ইউটিলিটিজ সার্ভিসসহ সকল ব্যবস্থা আমরা অর্থনৈতিক
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আজ এক অনন্য উচ্চতায় উপনীত হয়েছে। ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো। দেশের ৯৮ ভাগ এলাকা ইতোধ্যে
আজ ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস। দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের এ দিনটিতে পতন ঘটে তৎকালিন স্বৈরশাসকের। এদিন তিন জোটের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে, অন্যথায় স্বাধীনতার চেতনা ধরে রাখা যাবে না। একটি মহল নানা কথা বলে মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে। দেশে গণতান্ত্রিক