তিন দিন ধরে হামলা-পালটা হামলা বন্ধ থাকার পর আবারও মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে মধ্যরাতে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপ থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার দীর্ঘদিনের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে মালয়েশিয়া। মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা কুয়ালালামপুরের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও নিজেদের
চলতি মাসের শুরুতে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার সময় মাঝপথে বিমান বদল করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার
ইসরাইলের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তি করতে যাচ্ছে সিরিয়া। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছতে কয়েকটি দেশের অংশগ্রহণে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে তার দেশ। আলজাজিরার ‘আল মুকাবলা’
ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে কুয়েতের অংশগ্রহণের দাবি অস্বীকার করেছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত শেখা আল-জাইন আল-সাবাহ বলেছেন, এ ধরনের দাবি ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’। শনিবার (২৬ জুলাই) কুয়েতের সরকারি বার্তা সংস্থা
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন দাবি নরেন্দ্র মোদির সরকার মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শনিবার তৃতীয় দফা
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেছেন, বাকি দুই দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দিল্লির যন্তর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলমান পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে রাশিয়া ও চীন ইরানকে সমর্থন দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন না। তবে এই দুই দেশ যদি ইরানের পক্ষে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে,
মার্কিন প্রশাসন ও রাজনীতিতে ইসরাইলপন্থিদের উপস্থিতি বহু দশকের বাস্তবতা। ওয়াশিংটনের ক্ষমতার করিডোরে সিদ্ধান্ত শুধু হোয়াইট হাউস বা কংগ্রেসে হয় না। সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে অনেকগুলো লবিং সংস্থা, নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক
জবাবদিহি চাওয়া শিক্ষার্থীদের মোদি সরকার ‘দেশের শত্রু ‘ হিসেবে দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সেইসঙ্গে বর্তমান ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট এবং সরকারের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাবই শিক্ষার্থীদের