বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭৫ সাল থেকে আমরা মার খাচ্ছি। আর মার খাওয়ার সময় নেই। যে হাত দিয়ে মারতে আসবে, সে হাত ভেঙে দিতে হবে।’ তিনি সারা
রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকার ভিআইপি রোডে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে বুধবার (৭ ডিসেম্বর)। এ ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরই
রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হওয়ার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াত। বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান দলটির
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি বাড়াবাড়ি কেন করছে আমরা জানি। তারা নয়াপল্টনে অফিসে গিয়ে নাকি আশ্রয় নেবে এবং আগুন-লাঠি নিয়ে রাস্তায় নামবে।
রাজধানী নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও টিয়ার শেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এতে একজন মারা গেছেন। বুধবার বিকাল ৩টার
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে গ্রেনেড যুদ্ধের মাঠে ব্যবহার করা হয় সেই গ্রেনেড মারা হয়েছিল আমাদের ওপর। গ্রেনেড হামলায় আমাদের আইভি রহমানসহ অনেকে মারা গেছেন। আল্লাহর
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২০ জনের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া
আসছে ১০ই ডিসেম্বর বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ। এই সমাবেশ ঘিরে চলছে পাল্টাপাল্টি। সমাবেশের ৩ দিন বাকি থাকলেও এখনো ভেন্যু নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় বাড়ছে উত্তাপ। সরকারের পক্ষ থেকে
‘যেটিই হোক, একটি সমঝোতা হবে, হয়ে যাবে’—সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বল তো ওনার
ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের স্থান নিয়ে সরকারের সঙ্গে দলটির যে দ্বান্দ্বিক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের