আসছে ১০ই ডিসেম্বর বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ। এই সমাবেশ ঘিরে চলছে পাল্টাপাল্টি। সমাবেশের ৩ দিন বাকি থাকলেও এখনো ভেন্যু নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় বাড়ছে উত্তাপ। সরকারের পক্ষ থেকে
‘যেটিই হোক, একটি সমঝোতা হবে, হয়ে যাবে’—সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বল তো ওনার
ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের স্থান নিয়ে সরকারের সঙ্গে দলটির যে দ্বান্দ্বিক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের
আজ ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস। দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের এ দিনটিতে পতন ঘটে তৎকালিন স্বৈরশাসকের। এদিন তিন জোটের
আসছে ১০ই ডিসেম্বর বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশের স্থান নিয়ে জটিলতা কাটেনি। দলটি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চাইলেও সরকারের পক্ষ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। বিএনপি বলছে, তারা নয়াপল্টনেই
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে আমাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিপন্ন। এমতাবস্থায় আগামী ১০ ডিসেম্বরের দিকে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা
কোনোভাবেই অসাংবিধানিক পদ্ধতিতে সরকারের পতন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে আর হুমকি দিয়ে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘১০ ডিসেম্বর বিএনপি নাকি রাজপথ ও ঢাকা দখল করবে। ফখরুল
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদে আসতে প্রার্থিতার ফরম জমা দিয়েছেন ২৫৪ জন। এর মধ্যে সভাপতি পদপ্রত্যাশী রয়েছেন ৯৬ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৫৮
আগামী ১০ই ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ নিয়ে মানুষ আতঙ্কে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বাধা। তারা