তফসিল ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে প্রার্থীকে প্রকাশ্যে গুলি করা খুবই অশনিসংকেত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিতর্কিত ভূমিকা রাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থি নীল দলের একাধিক শিক্ষককে হেনস্তা করেছেন ডাকসু’র সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জোবায়েরসহ একদল শিক্ষার্থী। গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা
দেশের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৪ জন শিক্ষার্থী। ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে মাত্র ৩
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টরিয়াল বডি ও প্রশাসনে যারা ছিলেন, তাদের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশে হবে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ
১১ গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ প্রধান শিক্ষক। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক উন্নয়ন ও সমন্বয়-১ অধিশাখার উপসচিব জি এম সরফরাজের সই
দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য এমপিও নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫ বিষয়ের শিক্ষকরা বিএড ডিগ্রি ছাড়াই ১০ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন। আর বাকি বিষয়ের
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার পাশাপাশি অনেকে সাংবাদিকতা পেশায়ও জড়িত। কেউ আইনজীবী, আবার কেউ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেন। এতদিন এ কাজে কোনো আইনি বাধা ছিল না। ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মফস্বলে সাংবাদিকতাসহ
কওমি মাদরাসার স্বীকৃত সনদধারীরা এখন থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) পদে আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, সরকার আইন সংশোধন করে এই সুযোগ উন্মুক্ত করেছে।
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। একই সঙ্গে রোববার (৭ ডিসেম্বর) থেকে বার্ষিক পরীক্ষায় ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে
ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা ও বৈশ্বিক বৈচিত্র্যে পূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন