রাতে হয়েছে ঝড়-বৃষ্টি। সকালেও আবহাওয়া ছিল মেঘলা। এর মধ্যেই আয়তনের দিক দিয়ে এশিয়ার অন্যতম বড় ঈদগাহ ময়দান দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে হয়েছে ঈদের জামাত। এই জামাতে অংশগ্রহণ করেন লাখো মুসল্লি।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এলো ঈদুল ফিতর। ঈদ শুধু আনন্দ উৎসব আর ভোগ-বিলাসের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন ইবাদতের দ্বারা মহান আল্লাহর অনুগ্রহ, ক্ষমা ও সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম। ঈদুল
বাংলাদেশের আকাশে বুধবার (১৯ মার্চ) হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এর ফলে শুক্রবার রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আগামী শনিবার বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত
রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এবারও জাতীয় পর্যায়ের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়, যেখানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ
চলছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী শুক্র বা শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এ দুদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অথবা শনিবার (২১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি
মুসলিমদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর এবং তার পরবর্তী সময়েও আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইল। মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ইসলামিক ওয়াকফকে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট
পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে হবে তা নিয়ে সারা দেশে কৌতূহল বাড়ছে। এই প্রশ্নের চূড়ান্ত জবাব মিলবে আগামী ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার। সেদিন সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সোমবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর (শবেকদর) পালিত হবে। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৬ মার্চ বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা
কখনও কখনও ইতিহাসের সবচেয়ে গভীর পরিবর্তন ঘটে নিঃশব্দ মুহূর্তে কোনো যুদ্ধের গর্জনে নয়, কোনো সাম্রাজ্যের উত্থানে নয় বরং এমন এক রাতের নীরবতায়, যখন মানব হৃদয় আকাশের দিকে উন্মুক্ত হয়ে যায়।