ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সোমবার রাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেদিন মার্কিন বাজার খোলার আগেই ট্রাম্প কূটনৈতিক অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে
যুদ্ধের অবসানের আশায় একটি শান্তি প্রস্তাবের কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরই ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘অ-শত্রুভাবাপন্ন’ বা নিরপেক্ষ তেলবাহী জাহাজ চলাচল করতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের ইতি টানতে পাঁচটি কঠোর শর্ত দিয়েছে ইরান। সোমবার হিব্রু সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিক থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত
ফুটপাত দখলমুক্ত করাসহ ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে একটি বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায়
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের পোর্ট আর্থারে অবস্থিত ভ্যালেরো এনার্জি কর্পোরেশনের বিশাল তেল শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে প্রতিদিন ৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল তেল শোধনে সক্ষম এই
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে ১৩৩ টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে তা নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংসদে বিশেষ কমিটির বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সাথে
বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানব মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একযোগে ৭৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সোমবার (২৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার (২৩ মার্চ) একটি জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানান তিনি। খবর- আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন, তেহরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করে দেবে’। যুদ্ধ ‘ধীরে ধীরে শেষ