প্রযুক্তিপ্রেমিদের জন্য নতুন খবর। দেশের বাজারে অফিসিয়ালভাবে আসছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড অনার। ইতিমধ্যেই ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে সক্রিয় হয়েছে এবং দেশের গ্রাহকদের জন্য উন্নত প্রযুক্তির সহায়তার অভিজ্ঞতা ও সুবিধা দেবার লক্ষ্য নিয়ে কাজ
প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে বাড়ছে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা। সরকারি বা বেসরকারি যে প্রতিষ্ঠানই নাগরিকের তথ্য নেবে তাদেরই দায়িত্ব এগুলো সুরক্ষিত রাখা। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই তথ্য সুরক্ষিত রাখতে চরমভাবে ব্যর্থ। অনেকেই
সরকারি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে ফাঁস হয়েছে নাগরিকদের নাম, জন্ম তারিখ, ই-মেইল এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের মতো সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য। দক্ষিণ আফ্রিকাভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান বিটক্র্যাক সাইবার সিকিউরিটির
বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এর রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে। ইতোমধ্যে তথ্য ফাঁস হওয়া সরকারি দপ্তর চিহ্নিত হয়েছে।
প্রযুক্তির অগ্রগতির এই সময়ে প্রতিনিয়ত তথ্যের অবাধ ব্যবহার দেখা যায়। বিশেষ করে ডিজিটাল যে কোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য দিলে তবেই সেই সেবা নিশ্চিত হয়। এক্ষেত্রে সুবিধা যেমন আছে,
সরকারি ওয়েবসাইট থেকে লাখ লাখ নাগরিকের গোপন ও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব জানিয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য ফাঁস হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার সুযোগে হ্যাক
বাংলাদেশের একটি সরকারি ওয়েবসাইট থেকে লাখ লাখ নাগরিকের গোপন ও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে দাবি করেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা বিটক্রেক সাইবার সিকিউরিটির গবেষক ভিক্টর মার্কোপোলোস। তিনি বলেছেন, ফাঁস
সরকারি একটি সংস্থার ওয়েবসাইটের কারিগরি ত্রুটির কারণে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী (আইসিটি) জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেছেন, ওয়েবসাইটটি কেউ হ্যাক করেনি।
সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার খবরে সিচুয়েশনাল অ্যালার্ট জারি করেছে সরকারের সাইবার ইস্যু দেখভালকারী প্রতিষ্ঠান বিজিডি-ইগভ সার্ট। শনিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রজেক্ট ডিরেক্টর সাইফুল আলম খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস
অনলাইন টেকক্রাঞ্চ বলছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত সব তথ্য ফাঁস হয়েছে সরকারি একটি ওয়েবসাইট থেকে। ফাঁস করা তথ্যের মধ্যে আছে পূর্ণাঙ্গ নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের আইডি নম্বর। বিটক্রাক