নির্বাচনকালীন বাজেট হিসেবে এটি কোনো উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারবে বলে মনে হয় না। অর্থনীতিতে চলমান সংকট সমাধানের জন্য কোনো সুস্পষ্ট পথরেখা এই বাজেটে দেয়া হয়নি। আমদানি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি পদক্ষেপের চলমান পদক্ষেপগুলোর বাইরে নতুন করে তেমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। আমদানিকৃত ভোগ্যপণ্যের উৎসে কর, ভ্যাট ইত্যাদির কোনো ব্যবস্থা সেভাবে করা হয়নি।
তিনি বলেন, তেলের দামের ক্ষেত্রে উৎসে কর, আগাম আয়কর ১৫ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে স্পেসিফিক ডিউটি আরোপ করার ফলে বাজারে তেল ও জ্বালানির মূল্য বাড়বে। এছাড়া বিদ্যুতের মূল্য কমবে বলে মনে হচ্ছে না।
বিশ্ববাজারে আমদানিকৃত পণ্যের দাম কমলে সেটির সুফল দেশের ভোক্তারা পাবেন, সেই বিষয়টিও সুস্পষ্ট নয়। আগামীতে টাকার মূল্যমান আরও পতন হলে সেটিকে আটকানোর জন্য কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সেই বিষয়টিও পরিস্কার না। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতনের ব্যাপারে কোনো কিছু আলোকপাত করা হয়নি।
সবচেয়ে বিচলিত করার বিষয়টি হলো দুই হাজার টাকার তথাকথিত নূন্যতম কর ধরা হয়েছে, এটা অন্যায়। যে যুক্তিতে এটা করা হয়েছে সেটি আমার কাছে খুব একটা গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। বাজেটে কোনো নতুনত্ব নাই।
একটা সরকার ১৫ বছর শাসন করার শেষ অবস্থায় দূর্বলতম অর্থবছর নিয়ে নির্বাচনে যাচ্ছে। সেটিকে কাটিয়ে উঠার জন্য যে অভিনবত্ব, সৃষ্টিশীলতা দরকার, সেটি না দেখে কিছুটা হতাশ হয়েছি।