রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন




ডেঙ্গু রোধে ডিএনসিসি এলাকায় ‘বিটিআই’ ব্যবহার শুরু

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩ ৫:২৯ pm
ডেঙ্গুরোগী dengue fever mosquito corona dengue ডেঙ্গু রোগী করোনা মশা মশারি কয়েল স্প্রে corona dengue ডেঙ্গু রোগী করোনা dengue ডেঙ্গু corona রোগী করোনা dengue corona ডেঙ্গু রোগী করোনা মশা মশারি কয়েল স্প্রে International Centre for Diarrhoeal Disease Research Bangladesh ICDDRB Diarrhea আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ বা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ বাংলাদেশ আইসিডিডিআরবি আইসিডিডিআরবি ডায়রিয়া
file pic

গুলশানে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিটিআই প্রয়োগ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন

অনেক উন্নত দেশে মশা নিধনে বিটিআই’র (ব্যাসিলাল থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস) সফলতার পর এবার বাংলাদেশেও এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিটিআই প্রয়োগে মানুষ বা পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

সোমবার (৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশানে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিটিআই প্রয়োগ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

বিটিআই প্রয়োগ উদ্বোধনের পর মেয়র বলেছেন, এডিস মশার উৎপাতে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ নিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে তোলপাড়। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান এবং সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এরই অংশ হিসেবে আজ থেকে উত্তর সিটি এলাকায় শুরু হলো ডেঙ্গু দমনে বিটিআই প্রয়োগ কর্মসূচি।

বিটিআই প্রয়োগ উদ্বোধনের পর মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, বিটিআই আমরা সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করেছি। এটি সেখানে অত্যন্ত সুফল বয়ে এনেছে। ডেঙ্গু দমনে বিটিআই প্রয়োগ করে অনেক দেশই সফল হয়েছে, এটা খুবই পরিবেশবান্ধব। আমরাও সফল হবো, আশা করছি।

তিনি জানান, শিগগির এই বিটিআই বাসভবনের বেজমেন্টেও প্রয়োগ করা হবে। কেউ চাইলে এটা বাণিজ্যিকভাবে আমদানি করে বাজারজাত করতে পারবে।

জানা গেছে, বিটিআই পদ্ধতি প্রাকৃতিক, সাশ্রয়ী এবং টেকসই। প্রধানত অণুজীব থেকে সৃষ্ট কম-বিষাক্ত কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিটিআই। এটি প্রচুর পরিমাণে টক্সিন তৈরি করতে পারে, যার প্রভাবে কীটপতঙ্গের খাদ্য গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।

গত মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা বিটিআই ডিএনসিসির কাছে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিটিআই এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। মশা মারতে এটি অনেকটা লার্ভিসাইডের মতো স্প্রে করতে হয়। জলজ আবাসস্থলে এ কীটনাশক প্রয়োগ করলে তা মশা-মাছির বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। বিটিআই ব্যবহারে মানুষ, পোষা প্রাণী, গবাদি পশু এবং উপকারী পোকা-মাকড়ের ক্ষতি হয় না। তবে, চোখে লাগলে দৃষ্টিশক্তি এবং ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

নদী-নালা, পুকুর ও খালের মতো জলাশয়ে বিটিআই স্প্রে করা যায়। বদ্ধ পানিতে বিটিআই প্রয়োগ করলে এটি মশার লার্ভাকে মেরে ফেলে। ফুলের টব, খালি পাত্র ও টায়ারে জমে থাকা পানিতেও ব্যবহার করা যায়। ১০০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম বিটিআই মিশিয়ে দেড় বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছিটিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ওষুধটির কার্যকারিতা থাকে ৩০ দিন।

বিটিআই সম্পর্কে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেছেন, বিটিআই মশা দমনে খুবই কার্যকরী। আমি গবেষণা করে দেখেছি, বিটিআই প্রয়োগের ফলে দুই ঘণ্টার মধ্যে মশা মারা যায়। বিটিআই সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সঠিক জায়গা প্রয়োগ করতে পারলে সফলতা আসবে।

বিটিআই আমদানি করাকে ডিএনসিসির কার্যকর উদ্যোগ বলে আখ্যায়িত করেছেন কীটতত্ত্ববিদ মনজুর আহমেদ চৌধুরী।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD