পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শহরের তালিকায় ষষ্ঠস্থানে রয়েছে ঢাকা। প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের উপদেষ্টাদের তৈরি এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ভেনেজুয়েলার শহর কারাকাস। আর পাকিস্তানের শহর করাচি রয়েছে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।
কোনো শহরে অপরাধের ঝুঁকি, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকি, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি, অবকাঠামো নিরাপত্তা ঝুঁকি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে এই র্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ১০০’র মধ্যে যে শহর যত বেশি পয়েন্ট পাবে, সেখানে পর্যটকদের ঝুঁকি তত বেশি বলে গণ্য হবে।
ফোর্বস উপদেষ্টাদের মতে, বর্তমানে পর্যটকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শহর ভেনেজুয়েলার কারাকাস। তারা পেয়েছে ১০০তে ১০০ পয়েন্ট।
৯৩ দশমিক ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি, ৯১ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহর, ৯১ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট পাওয়া নাইজেরিয়ার লাগোস চতুর্থ এবং ৯১ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট পাওয়া ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহর রয়েছে তালিকার পঞ্চম স্থানে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ৮৯ দশমিক ৫০ পয়েন্ট পেয়ে তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। সপ্তম স্থানে রয়েছে কলম্বিয়ার বোগোতা (৮৬ দশমিক ৭০ পয়েন্ট), অষ্টম স্থানে মিশরের কায়রো (৮৩ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট), নবম স্থানে মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি (৮২ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট) এবং দশম স্থানে রয়েছে ইকুয়েডরের শহর কুইটো (৮২ দশমিক ০২ পয়েন্ট)।
নিরাপদ শহর কোনগুলো
ফোর্বস উপদেষ্টাদের বিচারে পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ শহরের স্বীকৃতি পেয়েছে নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। তারা ১০০তে ০ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপানের টোকিও (১০ দশমিক ৭২ পয়েন্ট), তৃতীয় স্থানে কানাডার টরন্টো (১৩ দশমিক ৬০ পয়েন্ট), চতুর্থ স্থানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি (২২ দশমিক ২৮ পয়েন্ট), পঞ্চম স্থানে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ (২২ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট), ষষ্ঠ স্থানে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন (২৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট), সপ্তম স্থানে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল (২৫ পয়েন্ট), অষ্টম স্থানে জাপানের আরেক শহর ওসাকা (২৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট), নবম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (২৬ দশমিক ১৭ পয়েন্ট) এবং দশম স্থানে রয়েছে নেদারল্যান্ডসের শহর আমস্টারডাম (২৯ দশমিক ০৭ পয়েন্ট)।