মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন




একনজরে মাহরাম ও নন-মাহরাম, মাহরাম কতজন এবং কারা?

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ৮:০৯ pm
পাত্রী বোরকা হিজাব মুসলিম muslim girl girls বিয়ে-শাদী বিয়ে শাদী নিকাহ তালাক নিবন্ধন রেজিস্ট্রার কাজী লাইসেন্স মুসলিম বিবাহ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন couple husband wife woman female partner marriage divorce widow spouse bride married relationship groom bridegroom বর মহিলা বউ স্বামী স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য দম্পতি H-WH-W বিয়ে Rape ধর্ষণ রেপ যৌন নিগ্রহ নির্যাতন Homosexuality sexual sex সমলিঙ্গ পুরুষ নারী উভকামী রুপান্তরিত লিঙ্গ সমকামিতা পাত্রী মুসলিম muslim girl girls Rape ধর্ষণ রেপ যৌন নিগ্রহ নির্যাতন Homosexuality sexual sex সমলিঙ্গ পুরুষ নারী উভকামী রুপান্তরিত লিঙ্গ সমকামিতা বিয়ে-শাদী বিয়ে শাদী নিকাহ তালাক নিবন্ধন রেজিস্ট্রার কাজী লাইসেন্স মুসলিম বিবাহ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন couple husband wife woman female partner marriage divorce widow spouse bride married relationship groom bridegroom বর মহিলা বউ স্বামী স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য দম্পতি বিয়ে
file pic

মাহরাম শব্দটি আরবি হারাম শব্দ থেকে এসেছে। ইসলামি পরিভাষায় যাদেরকে বিয়ে করা হারাম বা অবৈধ এবং দেখা করা বা দেখা দেওয়া জায়েজ বা বৈধ, তাদেরকে মাহরাম বলা হয়। রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা, স্তন্যদানের সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে নারী পুরুষ পরস্পরের মাহরাম হয়। পরস্পরের সাথে দেখা দেওয়া জায়েজ হয়।

কোনো শিশুর দুধপানের বয়সে অর্থাৎ দুই বছর হওয়ার আগে মা ছাড়া অন্য কোনো নারী তাকে স্তন্যদান করলে সে ওই শিশুর দুধ-মা গণ্য হয়। ইসলামি শরিয়তে দুধের সম্পর্কের কারণে মাহরামের সম্পর্ক স্থাপিত হয়। যেমন ওই নারী, তার স্বামী, তার গর্ভের সন্তান, তার দুধ সন্তান দুধ পানকারী শিশুর মাহরাম হয়ে যায়। তবে কোনো শিশুকে দুধ খাওয়ানোর কারণে শিশুর বাবার সাথে ওই দুধ-মায়ের মাহরামের সম্পর্ক স্থাপিত হয় না। সন্তানের দুধ-মায়ের সাথে পর্দা করা জরুরি এবং তার বিবাহ বিচ্ছেদ হলে বা স্বামী মারা গেলে তাকে বিয়ে করাও জায়েজ।

মাহরাম:

যাদের সাথে বিয়ে করা হারাম কিন্তু কথা বলা ও দেখা দেওয়া জায়েজ, তাদের সামনে পর্দা না করলেও চলবে তাদেরকে মাহরাম বলে।

নন-মাহরাম:

যাদের সাথে বিয়ে করা জায়েজ কিন্তু কথা বলা ও দেখা দেওয়া হারাম, তাদের সামনে পর্দা করা ফরজ তাদেরকে নন-মাহরাম বলে।

ছেলে এবং মেয়েদের উভয়ের কুরআনুল কারীমে নির্ধারিত মাহরাম আছে ১৪ জন করে। এই ১৪ জন ব্যতীত সকলেই নন-মাহরাম।

ছেলেদের জন্য ১৪ জন মাহরাম হলেন:

মায়ের মতো ৫ জন: ১. মা, ২.খালা, ৩. ফুফু, ৪. শাশুড়ি, ৫. দুধ-সম্পর্কীয় মা (যদি কোনো শিশু (ছেলে বা মেয়ে) কোনো ভিন্ন মহিলার দুধ পান করে থাকে, তবে সে তার দুধ মা)।

বোনের মতো ৫ জন: ১. আপন বোন, ২. দাদী, ৩.নানী, ৪. নাতনী, ৫. দুধ-সম্পর্কীয় বোন।

মেয়ের মতো ৪ জন: ১. মেয়ে, ২. ভাইয়ের মেয়ে, ৩. বোনের মেয়ে, ৪. ছেলের বউ।

এই মোট (৫+৫+৪ = ১৪ জন)

মেয়েদের জন্য ১৪ জন মাহরাম হলেন:

বাবার মতো ৫ জন: ১. বাবা, ২. চাচা, ৩. মামা, ৪. শ্বশুর, ৫. দুধ-সম্পর্কীয় বাবা।

ভাইয়ের মতো ৫ জন: ১. আপন ভাই, ২. দাদা, ৩. নানা, ৯. নাতী, ৫. দুধ-সম্পর্কীয় ভাই।

ছেলের মতো ৪ জন: ১. ছেলে, ২. ভাইয়ের ছেলে, ৩. বোনের ছেলে, ৪. মেয়ের জামাই।

এই মোট (৫+৫+৪ = ১৪ জন)

[সূত্র: সুরা আন-নিসা: ২৩ ও সুরা আন-নূর: ৩১]

আল্লাহর দেয়া বিধান এবং নবী (সা.)-এর সুন্নত তরিকায় সহীহ পর্দার মাধ্যমে নিজের পরিবারের ও সমাজের অবৈধ সম্পর্ক, সামাজিক অশ্লীলতা, বেহায়াপনা দূর করা সম্ভব আসুন আমরা জেনে বুঝে সহিভাবে পর্দার আমল করি আল্লাহপাক আমাদের তৌফিক দান করেন।

IFM desk




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD